• May 22, 2022

Category : বিদেশ

বিদেশ

চীন-পাকিস্তান সংযোগকারী ঐতিহাসিক সেতুর সলিল সমাধি বনাম জলবায়ু পরিবর্তন

চীন-পাকিস্তান সংযোগকারী ঐতিহাসিক সেতুর সলিল সমাধি বনাম জলবায়ু পরিবর্তন। সন্তোষ সেন।। গত ৭ই মে, ২০২২ চীন-পাকিস্তান সংযোগকারী একটি ঐতিহাসিক ব্রিজ সম্পূর্ণভাবে ভেঙ্গে পড়ল, তলিয়ে গেল জলের তলায়। পাকিস্তানের কারাকোরাম হাইওয়ের সন্নিকটে চীনের সাথে সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক এই ব্রীজটির নাম 'হাসানাবাদ সেতু'। ব্রীজটির ভেঙ্গে পড়ার কারণ সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে তা হলো– এপ্রিল মাস জুড়ে পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তাপমাত্রা ছিল ৪০ থেকে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ওখানকার গড় স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে আট থেকে দশ ডিগ্রি বেশি। অত্যধিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং তাপপ্রবাহের কারণে একটি বিশাল আকারের বরফের পাহাড় (Shisper glacier) সম্পূর্ণরূপে গলে যায়, যার ফলে নদীতে প্রবল জলস্ফীতি ভাসিয়ে নিয়ে গেল এই ব্রীজকে। বাজারী সংবাদপত্রে এইসব হাড়হিম করা খবর আমরা দেখতে পাব না তা নিশ্চিত। কিন্তু বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্রীজটির ধ্বংসসাধনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে প্রচুর মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে তাদের উদ্বেগ উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো থেকে জানা যাচ্ছে – প্রবল জলস্রোতের কারণে সেতুর সাথে সাথে দুটি জল-বিদ্যুৎ কেন্দ্র, প্রচুর বাড়ি, আবাসন, প্রশাসনিক ভবনও জলের তলায় তলিয়ে গেছে। আসলে এসবই মনুষ্যসৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগ-ঘনঘটা, বলা ভালো প্রকৃতির মধুর প্রতিশোধ। বিগত কয়েক দশক ধরে নির্বিচারে অরণ্য ধ্বংস, সবুজ বনানী নিধন এবং জীবাশ্ম জ্বালানির অপরিমিত ব্যবহারের কারণে ভূউষ্ণায়ন, তীব্র তাপপ্রবাহ এবং এসবের হাত ধরে অস্বাভাবিকহারে মেরু বরফের গলন বেড়েই চলেছে। তথাকথিত ছিন্নমস্তা উন্নয়ন, নগরায়ন এবং সভ্যতার (!) রথের চাকাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যেভাবে প্রকৃতির নিষ্পেষণ, অত্যাচার ও লুঠ বেড়েই চলছে, তারই বদলা নিচ্ছে এবার প্রকৃতি-মা। Read More

বিদেশ

“পাকিস্তানের জনগনের হাতেই পাকিস্তানের পরিবর্তন”

যারা ভাবছে ইমরান খান বিপুল ভোটে আগামী ২০২৩ এর ইলেকশনে ক্ষমতায় আসবে তাদের এই আশা নিয়ে আমি যথেষ্টই সন্দিহান। হ্যা এটা সত্যি জনগন ইমরান খানের পক্ষে। কিন্তু শুধু জনগনের ইচ্ছা আর ভোটের উপরে কি পাকিস্তানের ক্ষমতায় যাওয়া বা আসা নির্ভর করে? ১৯৪৭ থেকে এখন পর্যন্ত যা কিছু শোনা বা প্রত্যেক্ষ করেছে বিশ্ব তাতে স্পষ্ট পাকিস্তানের ক্ষমতার মসনদে কে থাকবে তা নির্ধারণ করে পশ্চিমা মদদপুষ্ট সেনাবাহিনী আর সর্বোচ্চ আদালত। তাই ইমরান খান যদি পশ্চিমা বিশ্বের অর্থাৎ আমেরিকার সামনে মাথা নত না করে তাহলে পাকিস্তানের জনগণের যাই ইচ্ছে থাকুক ক্ষমতায় বসবে তাদের অধিনস্ত শাসক নয়তো আবারও সামরিক শাসন জারি করা হবে এটা স্পষ্ট। এছাড়াও আরেকটা বিষয় খুব স্পষ্ট পাকিস্তানের যে মোল্লাতন্ত্র ধর্মের ধোঁয়া তুলে আমেরিকা কে গালাগালি দেয়, ধর্মনিরপেক্ষ পাকিস্তান গড়ার বিপক্ষে অবস্থান নেয়, নারী শিক্ষা এবং প্রগতির অন্তরায় তাঁরা কিন্তু এই পশ্চিমা মদদ পুষ্ট শাহবাজ শরীফের সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তাই ধর্মের ধোঁয়া তুলে বছরের পর বছর পাকিস্তান কে কোন অন্ধকারে পাঠানো হয়েছে তা বোঝা অসম্ভব নয়। তাই আজকের যুগে পাকিস্তানের ইয়াং জেনারেশন এবং সব বয়সের নাগরিকরাই খুব ভালো ভাবেই সেটা বুঝতে পারছে। তাই গতকাল রাতেই রাজপথে নেমে নজিরবিহীন প্রতিবাদ করেছে পাকিস্তানের জনগন। এই প্রথম পাকিস্তানের জনগনের মুখে তাদের সেনাবাহিনী কে টার্গেট করে বলতে শোনা গিয়েছে চৌকিদার চোর হে। অতএব এবারের হিসেবটা যে সহজ হবে না এটাও বোঝা যাচ্ছে। কিন্তু পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর বর্বর ইতিহাস কারো অজানা নয়। ১৯৭১ এর সেই ভয়াবহতা প্রমান করে তাদের গণহত্যা চালানোর চরিত্র।Read More

পশ্চিমবঙ্গবিদেশ

কয়লাখনির বিরুদ্ধে গ্রামবাসীদের প্রতিরোধ তীব্রতর হচ্ছে

মলয় তেওয়ারি ৭ মার্চ সকালে বেশ কয়েক শত গ্রামবাসী মিছিল করে দেওয়ানগঞ্জে বনবিভাগের জমিতে নেমে নিজেদের অধিকার জাহির করেন। সমবেত হয়ে ঘোষণা করে জমিতে খুঁটি পুঁতে চড়কা দেওয়া হয়। আদিবাসী সমাজের সামাজিক-প্রশাসনিক প্রথা অনুসারে কোনও জমিতে চড়কা দিলে সে জমিতে নতুন করে কেউ কোনও কাজ করতে পারবেনা। দেওয়ানগঞ্জের সরকারি জমিতে গ্রামবাসীদের চড়কা দেওয়া প্রকৃতপক্ষে গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে এক নতুন ঘোষণা, সরকার যদি ‘সরকারের হাতে থাকা’ জমিতে খনির কাজে নামে তাহলে গ্রামবাসীরাও সমবেতভাবে জমিতে নেমে প্রত্যক্ষভাবে বাধা দেবে। বারোমেসিয়া গ্রামের ধরণাস্থল থেকে মিছিল করে এসে সরকারি জমিতে চড়কা দিয়ে সরকারকে এই বার্তা দিল গ্রামবাসীরা। ২০ ফেব্রুয়ারির মহাসভা সমগ্র এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করায় পরদিন মুখ্যমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করে দেউচা প্রকল্প সম্পর্কে কিছু ঘোষণা দিয়েছিলেন। প্রথমত, পুনর্বাসন প্যাকেজে জমির দাম বা ঘরের সাইজ একটু বাড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা করেন তিনি। এবং একথা উল্লেখ করেন যে, সরকারের হাতে যে জমি আছে সেখানেই প্রথম খনির কাজ শুরু হবে, সেখানে তো আর কারও সম্মতির প্রয়োজন নেই। মুখ্যমন্ত্রীর এই দুটি ঘোষণাকেই কার্যত নস্যাৎ করে দিয়েছেন গ্রামবাসীরা। তাঁরা বুঝিয়ে দিয়েছেন যে প্রশ্নটা নিছক প্যাকেজের কমবেশির নয়। কোনওরকম প্যাকেজই তাঁদের ক্ষতি পূরণ করতে পারবেনা, কোনওরকম প্যাকেজের বিনিময়েই মানুষ নিজেদের জমি জায়গা ছেড়ে, ভিটেমাটি ও সমাজ ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে চাইছেন না। তড়িঘড়ি নবান্নে ডেকে দু’চারজনকে চেক দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ইচ্ছুক চাষির কুমির ছানা দেখিয়েছেন মাত্র। ওইদিন জেলা দপ্তরে যারা এসেছিলেন তাঁদের অনেকেই আসলে খাস জমিতে বসবাসকারি মানুষ যারা জমির পাট্টা নিতে এসেছিলেন। সিঙ্গুরের মত এখানেও অ্যাবসেন্টি ল্যান্ডলর্ডদের ওপর ভিত্তি করে প্রকল্পের জমি দখল করতে চাইছে সরকার। গ্রামবাসীদের সিংহভাগই প্রতিরোধে অংশ নিচ্ছেন। এমনকি কোনও পরিবারের একজন যদি চাকরির ফর্মে সই করে থাকে তাহলেও পরিবারের বাকি সদস্যরা, বিশেষত মহিলা সদস্যরা, প্রতিরোধে সামিল। দ্বিতীয়ত, নিজেদের জমি দেওয়া তো পরের কথা, সরকারি জমিতেও খনি করার অনুমতি যে তাঁরা দিচ্ছেন না, তা সরকারি জমিতে চড়কা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন গ্রামবাসীরা। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সংবাদ সম্মেলনে তৃতীয় একটি কথা বলেছিলেন। তিনি ইঙ্গিতপূর্ণভাবে বলেন যে, দেউচা-পাঁচামীর অবৈধ পাথর খাদান মালিকরা মদত যোগাচ্ছে আন্দোলনকারীদের। এভাবে তিনি আন্দোলনকারীদের গায়ে কাদা ছুঁড়তে চেষ্টা করেন। কিন্তু ২১ ফেব্রুয়ারি যখন মুখ্যমন্ত্রী এই প্রেস কনফারেন্স করছেন তখন গ্রামবাসীদের মিছিল এলাকার খাদান ও ক্রাশারগুলি বন্ধ করতে করতে এগোচ্ছিল। ২০ ফেব্রুয়ারি দেওয়ানগঞ্জ ফুটবল ময়দানে মহাসভা সংগঠিত হওয়ার পর থেকে মিটিং মিছিল সমাবেশ এক দিনও বন্ধ থাকেনি। প্রতিদিন সকালে আরও বেশি বেশি মানুষ ভয় কাটিয়ে প্রতিবাদে সামিল হতে থাকে। ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে লাগাতার ধরণা শুরু হয়, প্রথম দু’দিন হরিণসিঙায় চলার পর ধরণা বারোমেসিয়াতে স্থানান্তরিত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে ৭ মার্চ পর্যন্ত এলাকার সমস্ত খাদান ও ক্রাশার বন্ধ ছিল। এক দশক আগে পরিবেশ সংক্রান্ত বিধিকে মান্যতা দেওয়ার দাবিতে খাদান-ক্রাশার মালিকদের বিরুদ্ধে এক লম্বা ‘আইন মানো’ আন্দোলন করেছিলেন এলাকার মানুষ। কিছু কিছু দাবি আদায় হয়েছিল। গ্রিন ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ মেনে সরকার বীরভূমের মোট খাদান ও ক্রাশারের ৫% ইউনিটকে বৈধতার সার্টিফিকেট দেয়, যদিও সেই তালিকা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। বর্তমানে এই স্টোন চিপসের কারবারে সুব্যবস্থিত মাফিয়া চক্র গড়ে উঠেছে যার ফুট সোলজার হিসেবে আদিবাসী যুবকদের নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণ করত নিজেদের বিকিয়ে দেওয়া কয়েকজন আদিবাসী নেতা। পাথর পরিবহনে নিযুক্ত প্রতিটা ট্রাক দৈনিক ৬ হাজার টাকা তোলা দেয় এই চক্রকে। রীতিমত রসিদ কেটে এই টাকা তোলা হয়। বীরভূমের সমগ্র পাথর বেল্টে দৈনিক অন্তত ৫ হাজার ট্রাক এরকম পরিবহনে নিযুক্ত। গ্রামবাসীরা খাদান-ক্রাশার বন্ধ রাখার মাধ্যমে নিজেদের এলাকায় এই মাফিয়া চক্রকে ভাঙতে চেয়েছে। ২০ ফেব্রুয়ারি দেওয়ানগঞ্জে মহাসভার মাধ্যমে গ্রামবাসীদের যে উত্থান ঘটে তা সেই সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিল। মলয় তেওয়ারি : রাজনৈতিক কর্মী।Read More

বিদেশ

রাশিয়া- ইউক্রেন- ন্যাটো ত্রিমুখী লড়াইয়ের আদ্যন্ত

তেলের বাজার দখল , যুদ্ধাস্ত্রের বাজার দখল কয়েক দশক ধরে পুঁজিবাদী বৃহৎ শক্তির শ্রীবৃদ্ধি ঘটিয়ে আসছে । পৃথিবীর সমস্ত তেলের মজুদ ও অন্যান্য সম্পদের ওপর বহুজাতিক কোম্পানির দখল প্রতিষ্ঠার জন্য কত নির্মম রক্তপাত হয়েছে, কত রাষ্ট্রপ্রধানকে যারা বিরোধিতা করেছিল তাদের চেয়ার থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, তাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। 'ওয়ারশ চুক্তি' অন্তর্ভুক্ত সোভিয়েত পতাকার নেতৃত্বে দেশগুলোর একটি সামরিক চুক্তির সাথে ন্যাটো অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির একবার দ্বন্দ্ব হয়েছিল। সোভিয়েত ভেঙে যাওয়ার সাথে সাথে ওয়ারশ চুক্তি অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ে। কিন্তু... ন্যাটো রয়ে গেছে, যখন বিশ্ব রাজনীতির নৈতিকতা দাবি করেছে যে এটিও ভেঙে দেওয়া উচিত। কিন্তু, বিশ্বকে নিজের মুঠোয় রাখার জন্য ন্যাটো বজায় রাখা দরকার ছিল। উপসাগরীয় যুদ্ধ ও ন্যাটোর বর্বরতা অনৈতিকতার ঐতিহাসিক দলিল হয়ে ওঠে।ন্যাটোকে শুধু রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়নি, এর সম্প্রসারণ করতে গিয়ে নতুন নতুন দেশকেও এতে যুক্ত করা হয়েছে। ন্যাটো সম্প্রসারণ করতে গিয়ে এতে ইউক্রেনকে অন্তর্ভুক্ত করার কথাও হয়। রাশিয়া-বিরোধী এবং আরও বেশি পুতিন-বিরোধী ইউক্রেনের নেতা জেলেনস্কির আমেরিকার ওপর ভরসা ছিল যে সংকটে পাশে থাকবে ,ন্যাটোর ক্ষমতার মায়া এমনই ছিল যে তিনি পুতিনের চ্যালেঞ্জকে হালকাভাবে নিয়েছিলেন।অন্যদিকে পুতিন, যিনি মূলত একজন স্বৈরশাসক, তাকে তার প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার জন্য, রাশিয়ার ক্ষমতা ধরে রাখতে কিছু কৌশল করতে হয়।ইউক্রেনের পাওয়ার, রুশ-বিরোধী রাজনীতির ফসল। রাশিয়া কীভাবে মেনে নেবে যে সে ন্যাটো সুরক্ষা পাবে? পুতিন রাশিয়াকে অর্থনৈতিক স্তরে অনেক কম, সামরিক স্তরে বেশি শক্তিশালী কRead More

বিদেশ

পৃথিবীর গতি ঠিক কোন দিকে?

রাশিয়ার এই আক্রমণে একদিকে যেমন বহু মানুষ প্রাণ হারান, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ বিপুল ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তেমনি রাশিয়ান শেলের আঘাতে প্রায় গুঁড়িয়ে যাওয়া বীজগুলো ঘরবাড়ি থেকে একথা স্পষ্টতই আন্দাজ করা যায় যে ইউক্রেনের সরকারকে গদিচ্যুত করতে দৃঢ় প্রকল্প ভ্লাদিমির পুতিন।এক আলোচনা সভায় US এর প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং NATO এর অন্যান্য সদস্যরা সিদ্ধান্তে আসেন যে পূর্ব ইউরোপে NATO এর অন্তর্ভুক্ত সদস্য রাষ্ট্রগুলো কে রক্ষা করার জন্য NATO তার নিজস্ব বাহিনী পাঠাবে। যদিও সদস্য দেশগুলোকে ঠিক কতটা সাহায্য করবে তারা, অথবা কি পরিমান বাহিনী পাঠানো হবে তা বিশদে জানায়নি NATO।Read More

বিদেশ

ইউক্রেনে যুদ্ধ আসলে কিসের দ্বন্দ্ব

রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়া-ইউক্রেন সমস্যার কূটনৈতিক সমাধান সূত্র বার করতে যখন ব্যস্ত নিরাপত্তা পরিষদ তখনই রাশিয়ার সর্বোচ্চ অধিনায়ক ভ্লাদিমির পুতিন সে দেশের সময় অনুযায়ী ভোর ৫.৫৫ মিনিটে (২৪.০২.২২) ঘোষণা করলেন পূর্ব ইউক্রেনের ডানবাসে সামরিক অভিযান চালাবে রুশ বাহিনী, তিনি বলেন এই অভিযান ইউক্রেন দখল করতে নয়, নাৎসিদের কবল থেকে ইউক্রেনকে মুক্ত করতে এই অভিযান। তারপরেই ডানবাস, ক্রিমিয়া ও বেলারুস- এই তিন দিক থেকে ইউক্রেনের আকাশ জুড়ে বোমার রোশনাই ও আওয়াজে সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে ইউক্রেনের জনগণ, অনেকেই পোল্যান্ডে পাড়ি দিতে শুরু করে, অনেকেই মাটির তলায় মেট্রো স্টেশনে আশ্রয় নেয়। এ যেন ঠিক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের রেপ্লিকা।Read More

বিদেশ

জাতীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের স্মরণে “নেতাজি গবেষণা পর্ষদ, বাংলাদেশ”

২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের আজকের দিনে রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবীতে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে সালাম, রফিক, বরকত, শফিক ও জব্বার সহ নামজানা আরও অনেকে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলা ভাষাকে প্রতিষ্ঠিত করে দিয়ে গিয়েছেন। আমরাই পৃথিবীর একমাত্র জাতি যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছি। বাংলা ভাষার মর্যাদাকে অক্ষুণ্ণ রাখা আমাদের সকলের কর্তব্য।Read More

বিদেশ

আদিবাসী আক্রোশ

১৯৯৫ সালে পশ্চিম মিচোয়াকান রাজ্যের রাজধানী, মোরেলিয়াতে মূর্তিগুলি স্থাপন করার পর থেকে পুরেপেচারা মূর্তিগুলির বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে আসছে এবং বারবার তাদের সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।মিচোয়াকানের সর্বোচ্চ আদিবাসী কাউন্সিল বলেছে যে, মূর্তিগুলি তাদের পূর্বপুরুষদের নৃশংস শোষণকে মহিমান্বিত করেছে।Read More

বিদেশ

জিওরদানো ব্রুনো—সত্যনিষ্ঠার এক অনির্বাণ মশাল

জিওরদানো ব্রুনো (১৫৪৮-১৬০০) মানব ইতিহাসের এক বিস্ময়কর চরিত্র। সময়ের নিরিখে, সংগ্রামের নিরিখে, চিন্তা ও ঘোষণার নিরিখে, নিশান এবং নিশানার নিরিখে এমন আর একটি মানুষকে খুঁজে পাওয়া বড়ই কঠিন। শুধু ইতালির ইতিহাসে নয়, শুধু ইউরোপের ইতিহাসেও নয়, সমগ্র মানবজাতির ইতিহাসেই তাঁর সমতুল্য আর একজনও মানুষকে আমরা দেখতে পাই না, যিনি সত্যের জন্য বিজ্ঞানের একটা তত্ত্বের সপক্ষে এবং সর্বোপরি বৈজ্ঞানিক যুক্তিবাদের স্বার্থে এত নির্ভীকভাবে সংগ্রাম করে গেছেন, মিথ্যা এবং ইতিহাসের ফসিল-তুল্য শক্তির হাতে এত নৃশংসভাবে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছেন। একদিকে, ইতালির প্রগতিশীল জনসাধারণের কাছে, এবং সারা পৃথিবীর যুক্তিবাদী বিজ্ঞানমনস্ক মানুষদের কাছে তিনি বিজ্ঞান-শহিদ-এর মর্যাদা পেয়েছেন। আবার অন্যদিকে, কূটতার্কিক বিচারপতিদের অণুবীক্ষণ-দূরবীক্ষণের তলায় ফেলে করা নিখুঁত মূল্যায়নে তিনি বাচাল, তর্কচঞ্চু, ধর্মবিরোধী, ঈশ্বরবিদ্বেষী, পোপ-নিন্দুক, গির্জাবিধ্বংসক, কালাযাদু-প্রচারক, ইত্যাদি অভিধায় ভূষিত হয়ে অসম্মানের পাদটীকায় নিক্ষিপ্ত হয়েছেন। আমি আমার সীমিত সাধ্য নিয়ে এই প্রবন্ধে চেষ্টা করব, তাঁর একটা বাস্তবসম্মত পরিচয় তুলে ধরতে, ইতিহাসের কাছে তাঁর গুরুত্ব কোথায়, স্থান কোথায়, আমাদের মতো বৈজ্ঞানিক মনোবৃত্তির শিবিরের কাছেই বা তিনি কেন এত শ্রদ্ধার্হসে সম্পর্কে একটা যথোপযুক্ত বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন উপস্থাপন করতে। কাজটা কঠিন। পুরনো ইতিহাসের বহু তথ্যই এখন আর তর্কাতীতভাবে সংগ্রহ ও প্রতিষ্ঠা করা সহজ নয়। যাঁরা ব্রুনোর পক্ষে বলেছেন, তাঁদের কথা না হয় বাদই দিলাম। যাঁরা তাঁর বিরূপ-মূল্যায়ন করেছেন, তাঁদের সকলেই যে একেবারে রোমান ক্যাথলিক খ্রিস্টীয় গির্জার ধামাধরা দালাল গোছের লোক তা কিন্তু নয়। অনেকেই তাঁরা চার্চের বিজ্ঞান বিরোধী ভূমিকার কঠোর সমালোচক। স্বাধীন বিজ্ঞান চর্চার পক্ষেই তাঁরা। যেমন, বাংলায় প্রথম বিজ্ঞানের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস লেখক সমরেন্দ্র নাথ সেন। তিনি যথা সম্ভব তথ্যনিষ্ঠভাবেই লিখেছেন, কোপারনিকাস বা গ্যালিলেওর কাজ গভীর আবেগের সাথে বিস্তৃত বর্ণনা দিয়েছেন। সেই তিনিও কিন্তু ব্রুনোকে পছন্দ করেননি। ব্রুনোর কথা ও সমালোচনা একটি মাত্র বাক্যে সাঙ্গ করে ফেলেছেন। [সেন ১৯৯৪, ২য়, ৩০৬] এই সব তথ্য সামনে রেখেই আমাদের খুব সাবধানে এগোতে হবে। ব্রুনো বিজ্ঞানী নন, পরিপূর্ণ অর্থে দার্শনিকও নন। তিনি বিজ্ঞানের একজন লোকপ্রিয় প্রচারক হিসাবে আসলে সেই সময়ের ইতিহাসে একটি জরুরি হাইফেন-ভূমিকা পালন করে গেছেন। কোপারনিকাস আর গ্যালিলেওর মাঝখানে এক হাইফেন; আবার, গ্যালিলেও-কেপলারের মাঝখানেও তাই। সেই জায়গাটাই আমাদের বুঝে নিতে হবে। Read More

বিদেশ

প্রয়াত হলেন বাংলাদেশের বামপন্থী নেতা আশরাফ সিদ্দিকী

দীর্ঘদিন বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগে রবিবার রাত ১০ টায় ঢাকার একটি হাসপাতালে বাংলাদেশের বামপন্থী নেতা আশরাফ সিদ্দিকীর জীবনাবসান হয়েছে।Read More