• January 17, 2022

Category : দেশ

দেশ

নাদিরা বানু বেগম-ভাগ্যহতা শাহজাদী

নাদিরা বানু বেগম ছিলেন বাদশাহ শাহজাহানের জ্যেষ্ঠ পুত্র দারা শিকোহর প্রধানা বেগম।দারার নাদিরা বেগম ছাড়াও আরো দুই বেগম ছিলো যাঁরা ইতিহাসের পাতায় সেরকম উচ্চারিত নন। তাঁরা হলেন উদয়পুরী বেগম ও রাণাদিল।ঔরঙ্গজেবের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য যখন দারা সপরিবারে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন সেই সময়, ১৬৫৯সালে নাদিরা বানু বেগম মারা যান।দারার নৃশংস মৃত্যু তাঁকে দেখে যেতে হয়নি। নাদিরা বানু বেগমের জন্ম হয়েছিল ১৪ই মার্চ ১৬১৮সালে রাজস্থানে।পিতা ও মাতার দিক থেকে নাদিরা ছিলেন মুঘল বংশজাত।নাদিরা বেগমের পিতা ছিলেন পারভেজ মীর্জা। যিনি ছিলেন জাহাঙ্গীরের বেগম সাহেব জামালের পুত্র। অপরদিকে তাঁর মা ইফতার জাহান বেগম ছিলেন আকবরের দ্বিতীয় পুত্র মুরাদের কন্যা।সেই দিক থেকে আকবর ছিলেন নাদিরা বেগমের প্রমাতামহ।নাদিরা বেগমের পিতা পারভেজ মীর্জা ছিলেন পিতা জাহাঙ্গীরের প্রতি কর্তব্যপরায়ণ।অন্যদিকে জাহাঙ্গীরের অপর দুই বিখ্যাত পুত্র শাহজাদা খসরু ও শাহজাদা খুররম পিতা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করছিলেন। পারভেজ মীর্জা অতিরিক্ত মদ্যপান ও আফিমের নেশা করার জন্য মাত্র ৩৮বছর বয়সে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়ে মারা যান।অপর মত হলো সৎ ভাই খুররম বিষ প্রয়োগ করে পারভেজ মীর্জা কে হত্যা করেন সিংহাসন কন্টকমুক্ত করার জন্য। Read More

দেশপশ্চিমবঙ্গবিদেশ

জাহান্নামের আগুনে মুনাফা – কোভিড ভ্যাক্সিন

নিউ ইয়র্ক টাইমসের সংবাদ অনুযায়ী (৮.১২.২১) এই মুহূর্তে ১৬টি ভ্যাক্সিন ইমার্জেন্সি ব্যবহারের ছাড়পত্র পেয়েছে। এরকম ভাবার কোন কারণ নেই যে মডার্না বা ফাইজারের মতো দানবীয় হাঁ-মুখ বহুজাতিক কোম্পানি কোভিডের জন্য কোটি মানুষের মৃত্যুতে দুহাত দিয়ে দানসত্র খুলে বসেছে। আমি দেখার চেষ্টা করব “জাহান্নামের আগুনে” বসে মুনফার কত পুষ্প চয়ন করেছে এরা। অথচ এরা সরকারের অর্থ সাহায্য বিপুল পরিমাণে পেয়েছে। গতবছর যখন ভ্যাক্সিন তৈরির প্রবল উদ্যোগ চলছে সেসময় নেচার পত্রিকায় (২৭.০৮.২০২০) প্রকাশিত হয়েছিল “The unequal scramble for coronavirus vaccine” শীর্ষক প্রবন্ধ। প্রবন্ধে বলা হয়েছিল – “ধনী দেশগুলো ভ্যাক্সিন প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলোর সাথে ২ বিলিয়ন (২০০ কোটি) ডোজের চুক্তি করে ফেলেছে। এর ফলে পৃথিবীর মাঝারি এবং নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে ভ্যাক্সিনের সরবরাহ সীমিত হয়ে পড়বে … আগস্টের মাঝামাঝি তৈরির মাঝ পথে রয়েছে এরকম ৮০ কোটি ভ্যাক্সিন আমেরিকা কিনে নিয়েছে। এবং আরও প্রায় ১০০ কোটি কিনবে বলে স্থির করেছে। ইংল্যান্ড ৩৪ কোটি ডোজ (প্রতিটি নাগরিকের জন্য ৫টি করে ডোজ) এবং জাপান একশ কোটি ডোজের কাছাকাছি কিনে নেবে।” COVAX (COVID-19 Vaccine Global Access Facility) নামে একটি যৌথ উদ্যোগ জন্ম নিয়েছে এই অতিমারি শুরুর গোড়ার দিকে। এতে রয়েছে বিল এবং মেলিন্দা গেটস-এর সংগঠন GAVI (Global Alliance for Vaccines and Read More

দেশপশ্চিমবঙ্গ

কাজের প্রকৃতি এবং অবসরের পরিবর্তন

একটা কর্মদিবসের একটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ দিক, যা প্রায় অপরিচিতই তাই হল অবসর সময়। কাজের ক্ষমতা শুধুমাত্র শ্রমিকদের কায়িক পরিশ্রমের ওপরই নির্ভর করে না বরং এটি তাদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং আবেগের পরিপূরক হিসেবেও কাজ করে। এই পর্যায় গুলির জন্য অবসর সময় অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এই কারণেই বিশ্বব্যাপী সমস্ত শ্রমিক শ্রেণী এবং শ্রমিক সংগঠনগুলো কর্মদিবসকে ৮ ঘন্টা কাজের সময়, ৮ ঘন্টা অবসর সময় এবং ৮ ঘন্টা ঘুম অথবা বিশ্রামের সময় হিসেবে ঘোষণা করার জন্য সংগ্রাম চালিয়েছে।Read More

দেশবিদেশ

হিন্দুস্তান থেকে বাগদাদ: আরবদুনিয়ায় ভারতীয় জ্ঞান- বিজ্ঞানচর্চার এক বিস্মৃত অধ্যায়,প্রথম পর্ব

‘সত্য, তা যেখান থেকেই আসুক না কেন তাকে স্বীকার করতে ও গ্রহণ করতে লজ্জিত হওয়া উচিত নয়। সত্য সন্ধানীর কাছে সত্যের চেয়ে প্রিয় কিছু হওয়া উচিত নয়...। -আলকিন্দি ★কথামুখ: প্রাচীন ভারতবর্ষে বিজ্ঞানচর্চা প্রাচীন ভারতবর্ষে বিজ্ঞানের অঙ্কুরােদ্গম হয়েছিল সিন্ধু সভ্যতার গড়ে ওঠার সময়কালেই। খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দের পূর্বে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা মেসােপটেমিয়া সভ্যতা এবং নীলনদের তীরে মিশরীয় সভ্যতার সমসাময়িক ছিল সিন্ধু সভ্যতা। এখন প্রশ্ন হল, প্রাগৈতিহাসিক সিন্ধু সভ্যতার সময়ে কীভাবে বিজ্ঞানের সূচনা হয়েছিল ? এই বিষয়ে প্রবেশ করার আগে আমরা একবার দেখার চেষ্টা করবাে যে, মানব সমাজে কবে কোথায় ও কীভাবে শুরু হ…Read More

দেশ

বর্তমান কৃষি ব্যবস্থা ও কৃষি বাস্তুতন্ত্রের সামগ্রিক বিপর্যয়

বর্তমান কৃষি ব্যবস্থা, অর্থাৎ উচ্চফলনশীল হাইব্রিড চাষে প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার ও মাটির তলা থেকে প্রচুর জল তুলে নেওয়ার একদিকে যেমন জমির উর্বরতা কমছে, চাষের খরচ বাড়ছে, কৃষি বাস্তুতন্ত্রের সংকট সমাধানের বাইরে চলে যাচ্ছেRead More

দেশবিদেশ

ব্লকচেন(Blockchain) প্রযুক্তির শুরুয়াত

২০০৮ সালে বিশ্ব অর্থ ব্যবস্থার মধ্যে যখন ধ্বস দেখা দিল তখন ধ্বসের কারণ অনুসন্ধানরত অর্থনীতিবিদদের বলতে শোনা গেল যে, ধ্বসের কারণ ও মাত্রার পরিমাপ অনুধাবন করা সম্ভবপর হচ্ছে না। এই চ্যালেঞ্জ থেকেই নতুন হিসাবশাস্ত্রের অনুসন্ধান, তার থেকেই জন্ম ব্লকচেন প্রযুক্তির। ২০০৮ সালে Satashi Nakamoto নামে জাপানি এক প্রযুক্তিবিদের হাত ধরে এই প্রযুক্তির আগমন। কিন্তু জন্মলগ্নেই এই বিটকয়েন ব্লকচেন (Bitcoin Blockchain) এক হ্যাকিং-এর স্বীকার হয়। হ্যাকিং অংকুরে বিনষ্ট করা গেলেও বিটকয়েন ব্লকচেন-এর বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা সামনে চলে আসে। ২০১৪ সালে ১৬ বছর বয়স্ক টরেন্ট প্রবাসী বুটারিন (Buterin) ইথুরিয়াম ব্লকচেন (Ethereum Blockchain) আবিষ্কার করেন, যার আকার অনেক বৃহৎ। নামকরণটি ইথার (Ether) থেকে নেওয়া হয়েছে।Read More

দেশপশ্চিমবঙ্গ

পাপিয়া মাণ্ডির পাশে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন জেলায় প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ

পাপিয়া মাণ্ডির লড়াইয়ের পাশে দাঁড়িয়ে ২১ ডিসেম্বর ২০২১ রাজ‍্যের কয়েকটি জায়গায় বিক্ষোভ কর্মসূচী সংগঠিত হয়। পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং ও চন্দ্রকোনা, পূর্ব বর্ধমানে বোহার গদাইতলা বাজার, হুগলির ধনেখালি বিডিও অফিস এবং কলকাতায় যাদবপুর বিশ্ববিদ‍্যালয়ে বিভিন্ন সংগঠনের উদ‍্যোগে প্রতিবাদী কর্মসূচী সংগঠিত হয়। পাপিয়া মাণ্ডির পাশে দাঁড়িয়ে জাতিবিদ্বেষের বিরুদ্ধে সুবিচারের জোরালো আওয়াজ তোলা হয়। মূল বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচীটি ছিল সবংএ। ভারত জাকাত মাঝি পারগাণা মহল (ভাজামাপাম) সবং ও পিংলা মুলুকের ডাকে সবং তেমাথানি মোড়ে কয়েকশ আদিবাসী নরনারী প্রথাগত পোশাকে, তুমদাঃ-টামাক্ ও ঘরোয়া অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জমায়েত হন এবং প্রতীকী বৃক্ষরোপণের মাধ‍্যমে প্রকৃতি আরাধনা করে এক সুশৃঙ্খল মিছিল সমগ্র এলাকা পরিক্রমা করে সবং সজনীকান্ত মহাবিদ‍্যলয়ের দরজায় হাজির হয়। দরজা বন্ধ দেখে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন সকলে, বিশেষত মহিলারা। কলেজের সামনে ব‍্যাস্ত হাইরোড অবরোধ করে বসে পড়েন সবাই। বিশাল পুলিশ বাহিনী দফায় দফায় আলোচনা চালায় নেতৃত্বের সাথে। প্রায় ৪৫ মিনিট অবরোধ চালিয়ে রাস্তা জুড়ে মিছিল করে ফিরে আসা হয় তেমাথানি সভাস্থলে। সভা চলে সন্ধ‍্যা অবধি। প্রথমে বক্তব‍্য রাখেন ফুলো-ঝানো তিরলো গাঁওতার নেত্রী স্বরস্বতী হাঁসদা ও সব শেষ বক্তা ছিলেন পাপিয়া মাণ্ডির ছোট ভাই পূর্ণেন্দু মাণ্ডি। তার মাঝে একে একে বক্তব‍্য রাখেন বিক্ষোভ কর্মসূচীর অন‍্যতম প্রধান উদ‍্যোক্তা মিঠুন মুর্মু, বাবলু হাঁসদা, সনাতন হেমব্রম, বিশ্বনাথ হেমব্রম, মনোরঞ্জন মুর্মু, রবি সিং সহ বিভিন্ন নেতৃত্বস্থানীয় পারগাণা মহল। আমন্ত্রিতদের মধ‍্যে থেকে বক্তব‍্য রাখেন মলয় তেওয়ারি ও ডিডি মুর্মু। সভাস্থল ও মিছিলকে শ্লোগানে উজ্জীবিত রেখেছিলেন পিংলা মুলুকের গোডেৎ পারগানা বিজয় হেমরম ও করকাই পিড় জগ পারগানা কুমার কিসকু। সভা পরিচালনা করেন খড়গপুর তল্লাটের গোডেৎ পারগানা অলোক বেসরা। আদিবাসী সমাজের মানুষেরা ছাড়াও বহু সাধারণ মানুষ আগ্রহভরে সভায় অংশ নেয় এবং মিছিলের সময়ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সমর্থন লক্ষ‍্য করা যায়।Read More

দেশ

বিবি জুলিয়ানা

মধ্যযুগীয় ইতিহাসে সে যুগের বহু খ্যাতিসম্পন্না নারীর গল্প ও উপাখ্যান আমরা দেখতে পাই। তাঁদের মধ্যে রাজিয়া সুলতান, নূরজাহান, মুমতাজ মহল, জাহানআরা বেগমকে নিয়ে বহু কিস্যা কাহিনী প্রচলিত।কিন্তু এর বাইরেও বহু নারী ছিলেন সেযুগে যাঁদের নিয়ে কোথাও সেইভাবে কিছু বলাই হয়নি।এরকমই এক নারী হলেন জুলিয়ানা।এই পর্তুগিজ নারী মুঘল কোর্টে একসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি সাক্ষী ছিলেন বহু রহস্যময় আলোচনা ও বন্ধ দরজার পিছনের গুপ্ত কথোপকথনের। ডোনা জুলিয়ানা ডি কোস্টা ছিলেন মুয়াজ্জমের প্রিয় ভালোবাসার পাত্রী।মুয়াজ্জম পরে বাহাদুর শাহ প্রথম রূপে মুঘল তখ্তে বসেন ঔরঙ্গজেবের মৃত্যুর পরে একজন বিতর্কিত সম্রাট রূপে। জুলিয়ানার ছিল মনোহরণকারী চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, ফলে খুব সহজেই তিনি বাহাদুর শাহ প্রথমের খুব কাছের মানুষ হতে পেরেছিলেন। তিনি তাঁর কাজের মধ্য দিয়ে যে পরিবর্তন মুঘল ও ইউরোপীয় সম্পর্কে আনতে সক্ষম হয়েছিলেন তার জন্য ইতিহাসের পাতায় তাঁর নাম আলাদা করে উল্লেখ করা প্রয়োজন।কিন্তু দুঃখের বিষয় তা করা হয়নি।Read More

আসামত্রিপুরাদেশপশ্চিমবঙ্গ

বিএসএফের কাজের এলাকা বাড়ালে নাগরিক যন্ত্রণা বাড়বে

সালটা ২০০৪। অক্টোবর মাসে মনিপুরের ৩২ বছরের মনোরমা থাংজুনের বিবস্ত্র মৃতদেহ মিলল আসাম রাইফেলসের শিবিরের কাছে রাস্তার ধারে এক জঙ্গলে। তাঁকে আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানেরা তার তিন দিন আগে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন। মা, ভাইয়ের চোখের সামনে দিয়ে। মৃতদেহের স্তনে ক্ষত ও যোনি বন্দুকের গুলিতে ক্ষতবিক্ষত। তিনি সমাজকর্মী হিসাবে পরিচিত ছিলেন, ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের পড়াতেন, বিদ্যালয়ে পাঠাতেন, খেলা করাতেন, শেখাতেন। তবে তাঁর বদগুণ ছিল, কোন অন্যায় হছে দেখলে, শুনলে বা জানলে প্রতিবাদে সোচ্চার হতেন। রবীন্দ্রনাথের ভাষায়, “দেশকে নিরন্তর পীড়ন হইতে বাঁচাইবার জন্য এক দল লোকের তো বুকের পাটা থাকা চাই, অন্যায়কে তারা প্রাণপণে প্রমাণ করিবে, পুনঃপুনঃ ঘোষণা করিবে।"(‘কর্তার ইচ্ছায় কর্ম’)। অপরাধীদের শাস্তি হয়েছিল কি? জানা যায়নি। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী সামরিক, আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানেরা বাড়তি সুযোগ পেয়ে থাকেন। কর্তব্যরত অবস্থায় তাঁরা ফৌজদারি অপরাধ করলেও সাধারণ আদালতে তাঁদের বিচার হবে না যদি কেন্দ্রীয় সরকারের সম্মতি না মেলে। সেনাদের বিভাগীয় বিচারের ব্যবস্থা আছে বটে, কিন্তু তাতে অভিযোগকারীর আমজনতার অংশ গ্রহণ সামান্য। ডাক পেলে তিনি নিজে হাজির হতে পারবেন, আইনজীবী কিংবা অন্য কোন বন্ধুর সহায়তা নিতে পারবেন না। চলতি ২০২১ সালের ডিসেম্বরে নাগাল্যান্ডের মন জেলার কয়লা শ্রমিকরা ফিরছিলেন একটা ছোট গাড়িতে হপ্তান্তে বাড়িতে। এমনটাই তাঁরা ফেরেন প্রত্যেক হপ্তায়। আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানেরা সামনে থেকে গাড়িতে গুলি চালিয়ে দশ জনকে মেরে ফেললেন। খবর পেয়ে ছুটে আসা ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের ছয় জনকেও প্রাণ দিতে হলো। নাগাল্যান্ডের পুলিশের তদন্ত রিপোর্টের সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর বিবৃতিতে অমিল দেখা গেল। বারে বারে কেন্দ্রীয় সরকার অপরাধী সেনাদের পাশে থেকেছে। না হ’লে নাকি তাদের মনোবল নষ্ট হয়ে যাবে। সেনা বাহিনীর জওয়ানেরা দেশ রক্ষার জন্য অনেক কষ্ট স্বীকার করেন, প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে তাঁদের সীমান্তে পাহারা দিতে হয়। কিন্তু সাধারণ নাগরিক কেন তাঁদের বেখেয়ালের শিকার হবেন? সরকার বিরোধীরা ২০০৪ সালেও সোচ্চার হয়েছিলেন, ২০২১ সালেও হয়েছেন। সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন(আফস্পা নামে যা আখ্যাত) বাতিলের আবার দাবি তুলছেন। শুধু কেন্দ্রীয় সরকারে ও বিরোধী দলে রঙের পরিবর্তন হয়েছে। মনমোহন সিং তাঁর মেয়ের এক বই প্রকাশনী অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেছিলেন যে কোন রাজনৈতিক দলের স্বরূপ বোঝা যায় না যখন তারা বিরোধী পক্ষে থাকে। মনমোহন সিং তখন ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। Read More

দেশপশ্চিমবঙ্গ

অসুস্থ প্রকৃতি পরিবেশে মানুষ সুস্থ থাকবে কীভাবে?

বর্তমান সময়ের দাবি-- বিপর্যস্ত প্রাণ প্রকৃতি পরিবেশকে মেরামত করতে স্থানীয়ভাবে কর্মসূচি গ্রহণ, কিন্তু ভাবনাটা হোক আন্তর্জাতিক। শুধু কয়েকটি গাছ লাগানো বা প্লাস্টিক বর্জন করার মধ্য দিয়ে ষষ্ঠ গণ অবলুপ্তির বিরুদ্ধে লড়াই করা যাবে না। শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, ভাবতে হবে গভীরে গিয়ে বৃহৎ পরিসরে। বাজার সর্বস্ব ভোগবাদের জন্য শুধুই অপ্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদন ও দূষণ সৃষ্টি নয়। এর বিকল্প হিসেবে উঠে আসুক প্রকৃতির বিপাকীয় ফাটলের মেরামত ও তার পুনরুৎপাদন" (reproduction of nature) এর মার্ক্সীয় ভাবনা।Read More