• December 4, 2021

ফেরা

 ফেরা

নীলিম গঙ্গোপাধ্যায়

দুবার মোবাইলে, দুবার ইন্টারকমে, একই খবরের সার্কুলেশন। দোতলার জে, আর পাঁচতলার কে, মুন্নির মোবাইলে। তেরোতলার সি আর পনেরতলার পি ইন্টারকমে। সে দুটো কল আমিই ধরেছি। বেলা দশটার মধ্যে চারবার। প্রথমবারের কনভার্সেশন ছিল, 

 — শুনেছেন উজ্জ্বলের মা বাথরুমে পড়ে গিয়ে পা ভেঙেছে?

— সেকি! ওঁরা তো স্বামী-স্ত্রী বেহালায়, নিজেদের বাড়িতে?

— হ্যাঁ, উজ্জ্বল কিন্তু যায়নি! কি অবস্থা! এতোটা এজ মায়ের, পা ভেঙেছে, অনলি সান, মায়ের কাছে গেল না!

চল্লিশ ছুঁই ছুঁই উজ্জ্বল বেহালা থেকে দূরে কলকাতার আরেক প্রান্তে আমাদের দশতলায়। বড়ো কোম্পানির বড়ো চাকুরে। তার স্ত্রীও। আইটি সেকটরে তাদের অফিস এখান থেকে কাছে। তাদের বাচ্চাও আছে, সে দেখতে দেখতে আড়াই। উজ্জ্বলের মাকে মনে পড়ল আমার। অন্নপ্রাশনে, নাতির জন্মদিনে, এসেছিলেন। রবীন্দ্রজয়ন্তীতেও এনেছিল উজ্জ্বল। গানের চর্চা ছিল একসময়। সব দেখাই আমাদের ওই কম্যুনিটি হলে।

দ্বিতীয় বারের কথোপকথনে আরেক ফ্লোরের উদ্বেগ।

— খবর পেয়েছেন?  আরে, কোনো নার্সিংহোম নিতে চাইছে না উজ্জ্বলের মাকে! ডাক্তার দেখতে চাইছে না।  বলছে আগে করোনা টেস্ট। নেগেটিভ হলে তারপর। উজ্জ্বল এখনো যায়নি। 

— তাহলে? ভাঙা পায়ের কি হবে? সে তো খুব যন্ত্রণার, আমার মায়ের পা ভেঙে যাওয়ার সময় দেখেছি তো!

 মায়ের পা ভেঙেছিল, ছেলে যখন সেভেনে। ঠিক সেই সময়, যেহেতু জামাইবাবু ডাক্তার, আমার বউ মুন্নি গলব্লাডার অপারেশনের জন্য ছিল বর্ধমানে, তার দিদির বাড়িতে। নাতি সামলাতে আর অফিসের ভাত রেঁধে দিতে এসেছিল মা। বেসিনে এঁটো থালা রাখতে গিয়ে পড়ে গেল। কোমরের হাড় ভাঙলো। মায়ের সেকি যন্ত্রণা কষ্ট। তখন অন্য পাড়া। পাড়ার লোকের সহায়তায় তাড়াতাড়ি সরকারি হাসপাতালে। অপারেশন হলো। মায়ের রোগা পাতলা শরীরে লোহার জয়েন্ট ঢুকলো। এত বছর ধরে আমাদের মানুষ করেছে, নিজের সংসার সামলেছে, পড়েনি। ছেলের সংসার সামলাতে এসে পড়ে গেল। পঁচিশ বছর ধরে বয়ে চলা অনুশোচনা, বিবেকের দংশন, অপরাধবোধ। মাকে পা টেনে চলতে হচ্ছে। মা খোঁড়া হয়ে গেল আমার জন্য। আমার আলাদা পরিবারের জন্য।                                                                                                                        বছরখানেক হলো, এই করোনা সময়ের শুরুতেই একটা মাইল্ড স্ট্রোকও সামলেছে মা। কিন্তু হাঁটাচলা করতে পারছে না। পা টেনে চলাও বন্ধ। এমনিতেই যথেষ্ট বয়স। তার ওপর ওইসব ভোগান্তি। পুরনো শহরের আদি বাড়িতে, ভাই ভাই-বউ মায়ের দেখাশোনা করে। কোমরে লোহার অ্যাঙ্গেলের জন্যই মাকে এতো বছর পা টেনে চলতে হয়েছে, এখন সেটুকুও গেল। এই সময়টায় সম্পূর্ণ লকডাউন। বাস ট্রেন সব বন্ধ। বয়স্কদের করোনাগ্রস্ত হবার সম্ভাবনা বেশি। মায়ের কিছু হলে, কি হবে! কি ভাবে যাবো, কি করব, এরকম একটা ঘুরঘুরে দুশ্চিন্তার মধ্যেই আমাদের বিল্ডিংয়ের উজ্জ্বলদের বাড়িতে এই।

আমাদের বিল্ডিংয়ে ইন্টারকম বিগড়ে না থাকলে তাতেই কথা চালাচালির প্রথা। মানবিকতার খাতিরে রাত্রিবেলায় নাম্বার টিপলাম ,  

— উজ্জ্বল মায়ের কি ব্যবস্থা করলে? গেছিলে?

— না আঙ্কেল আমি যেতে পারিনি। বাবাই সব করছে। এখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে দিলাম। নার্সিংহোমগুলো অ্যাডমিট করতে চাইছে না। দু-তিনটে নার্সিংহোম ঘুরতে হয়েছে। অরথোপেডিক সার্জন বলেছে কোভিড নেগেটিভ রিপোর্ট পেলে তবেই অপারেশন করবে। কি ভীষণ ঝামেলা বলুন তো আঙ্কেল! বাবার ওপর খুব চাপ পড়ে যাচ্ছে!

— বাবার বয়স কী রকম হয়েছে ? 

— সেভেনটি প্লাস। আমি ফোনে ফোনে অ্যারেঞ্জমেন্ট করে দিচ্ছি। নার্সিংহোম ডাক্তার, সবার সাথেই কনসাল্ট করছি। 

— এই বয়সে তোমার বাবা সামলাতে পারবেন? তুমি গেলে না কেন? নিজের গাড়িতে যেতে!

— বাড়িতে ছোট বাচ্চা! যাওয়াটা রিস্কের হয়ে যাবে। চাইছি না দুটো বাড়ি এফেকটেড হয়ে যাক। আচ্ছা আঙ্কল রাখছি। দেখি বাবা কী ডিসিশন নিচ্ছে।

সত্তর বছরের একজন বৃদ্ধ, ভারী চেহারার হিপ জয়েন্ট ভাঙা স্ত্রীকে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে, ভাইরাসের আতঙ্কে  থম মেরে যাওয়া, সিঁটিয়ে থাকা, নির্জন কলকাতার এরাস্তা ওরাস্তা দিয়ে নার্সিংহোম খুঁজে বেড়াচ্ছে, এই ছবিটা আমাকে আমূল কাঁপায়, তাড়া করে। আমার থেকে ভদ্রলোক মাত্র তিন বছরের সিনিয়র। তার কনফিডেন্স লেভেল হাতড়াই আমার মধ্যে। পঁয়তাল্লিশে, আগের ফ্ল্যাটের পাঁচতলা থেকে রোগা শরীরের মাকে একা পাঁজাকোলা করে নামিয়ে নিচের ট্যাক্সিতে তুলতে জিভ বেরিয়ে গেছিল। মনে পড়ে। 

আমি রেগে উঠতে চাইলাম উজ্জ্বলের উপর। মনে পড়ল তাদের হাজব্যাণ্ড ওয়াইফের মধ্যে সংসারের কাজ, বাচ্চার দেখভাল, ইত্যাদি নিয়ে মন কষাকষির কথা। হতেই পারে। এক ছেলে, এক গ্লাস জল নিয়ে পান অভ্যাস ছিল না। পরবর্তী এক মেয়ে এবং চাকুরে স্ত্রী সময়ে, তার কষ্ট হবারই কথা। উজ্জ্বলের সব কাজ সবার নয় কনসেপ্ট ধাক্কা খেয়েছে। কিন্তু উজ্জ্বলের স্ত্রী অফিসের জব, ডোমেস্টিক ওয়ার্ক, বাচ্চার পটি করা, ন্যাপি পালটানো, ইত্যাদির মধ্যে লিঙ্গান্তর  পায় না। অষ্টমীতে লাল পাঞ্জাবি ঝুলিয়ে আগে প্যাণ্ডেলে চলে যাবে, হবে না। বাচ্চাকে পটি করিয়ে পুজোর ড্রেস পরিয়ে নিয়ে এসো। আমি আগে যাই, ফল কাটতে হবে। উজ্জ্বল আমাকে একান্তে স্ত্রী সংক্রান্ত রিপোর্ট করার আত্মীয়তা দেখিয়েছে। তাদের ডায়ালগ এক্সচেঞ্জকে যুক্তিগ্রাহ্য মান্যতা দিই আমি। পিতাসম অনাত্মীয় বয়স্ককে অকপটে বলা, শ্লাঘার জন্ম দিয়েছে আমার মধ্যে। এই ওয়েল অফ, চকচকে র‍্যাপারে মোড়া চকোলেটের মতো ছোট্ট দুই-মানুষ ফ্যামিলির কারোর প্রতিই বিন্দুমাত্র উষ্মা জমে ওঠেনা। আজ হঠাৎ সেই মেয়েটির প্রতিই তর্জনী উঠ গেল। কি নাম যেন, গোল্ডি! হ্যাঁ যাকে সোনালী ব’লে তর্জমা করে ডাকি। সেই সোনালীর কারসাজি তাহলে। সেই বাধা দিয়েছে জোয়ান ছেলেকে বৃদ্ধা মায়ের কাছে যেতে। করোনার সংক্রমণ এতোটাই মৃত্যভয় নিয়ে এসেছে। অমানবিক আত্মকেন্দ্রিক এতটাই করে তোলা যায় যে, একমাত্র ছেলেকে তার হিপ জয়েন্ট ভাঙা মাকে হসপিটালাইজড করা থেকে বিরত করা যায়। হুমকিতে, বাচ্চা সংক্রমিত হবার ভায় দেখিয়ে নিরস্ত ক’রে। ছুটিয়ে, খাটিয়ে মারা যায় নিঃসঙ্গ একলা হয়ে পড়া বৃদ্ধ বাবাকে, শ্বশুরকে। 

সোয়াব জমা দিয়ে স্ত্রীকে বাড়িতেই ফিরিয়ে নিয়ে গেছিলেন উজ্জ্বলের বাবা। টেস্টে করোনা নেগেটিভ এলে, নার্সিংহোমে অপারেশনও হয়ে গেল, ঘন ভাইরাস আতঙ্কিত, লকডাউনের বিধিনিষেধ চাপানো সময়ে। ওয়ার্ক ফ্রম হোম পারদর্শী উজ্জ্বল, হয়তো গোল্ডিও, প্রমাণ করে ছাড়ল বাড়ি থেকে ওয়ার্ক কোন লেভেলে নিয়ে যাওয়া যায়। অ্যাম্বুলেন্স, নার্সিংহোম, ডাক্তার, মেডিসিন, পেমেন্ট, সব ফোনে, হোয়াটস্যাপে, অনলাইনে সেরে ফেলেছে তারা। এদিকে দেশ জুড়ে ভাইরাসে মৃত্যুর হার বাড়ছে। দিল্লি, মুম্বাই, মৃত্যুনগর হয়ে গেছে। এই রাজ্যেও লাফিয়ে এগোচ্ছে মৃত্যুর সংখ্যা। আড়াইশো কিলোমিটার দূরত্বের শহরে, ভাই, ভাইয়ের বউ, মা, সবাইকে নিয়ে দুর্ভাবনা। সেই শহরে বিধিনিষেধ মানামানি নেই। দোকানে মোড়ে বারান্দায় গুলতানি। বাজার জমজমাট। মাস্কহীন সবজি মাছের চিৎকার। ভাই এখনো যায় গুলতানিতে, তার বউ টিউশনি পড়াতে। আশি বছরের মা ভাইরাসের ইমিডিয়েট সফট টারগেট। প্রায় বুড়ো আমি ইঁদুরের গর্তের মতো কলকাতার ছোট ফ্ল্যাটে লুকিয়ে থাকি। ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে বাইরেটা আন্দাজ করি, মোবাইলে মাকে সাহস যোগাই, সবাইকে সতর্ক করি। মাস্ক মাস্ট, ডিসটেন্স মেনটেন মাস্ট, টিভির মতো বকে যাই। কিন্তু বাড়িতে লোক আসা, আর বাড়ির বাইরে যাওয়া ওখানে চলতেই থাকে। 

মায়ের শরীর এমনিতেই দু-দিন এগোয় দু-দিন পিছোয় করে চলে। ভাইরাস ইনফেকশন হলে দেখতে হবে না।  নিজের মধ্যে উজ্জ্বল আর মুন্নির মধ্যে গোল্ডি আছে টের পাই। বাস ট্রেন বন্ধ। চললেও রিস্কি। ভাইরাস গিজগিজ করছে সর্বত্র। অ্যাজমার কারণে মুন্নির মুখে কোমর্বিডিটির অজুহাত। বয়স্কদের আক্রান্ত সম্ভাবনা নিয়ে টিভিতে সর্বক্ষণের লেকচার। মা যে কোনো সময় করোনার কবলে পড়তে পারে। আমরা বয়স্ক, আমরাও তাই। তাহলে! যাবো কি করে? ভাড়া গাড়ি রিস্কি। নিজেদের যাওয়া রিস্কি। করোনা ঢুকলে গোটা বাড়িকে আক্রমণ করে ফেলবে। ডাক্তাররা আক্রান্তের শরীর স্পর্শ করছে না। সন্তানেরা কাছে যাচ্ছে না। হসপিটাল যেতে দিচ্ছে না। মরে গেলে পোড়ানো সমস্যা হচ্ছে। লাশ ফেলে পালাচ্ছে। করোনায় মৃতকে শ্মশান পর্যন্ত অ্যালাউ করছে না। 

খবর এলো মায়ের শরীর বেশ খারাপ। ফোনে খবর নিচ্ছি। আর আতঙ্কে ভুগছি। অন্য সময় হলে আগেই পৌঁছে যেতাম।  কিন্তু এখন?!  দুদিন পেরিয়ে গেল। পাড়ার ডাক্তার দেখে গেছে। ওষুধ পড়ছে। তবু মা ভালো হয়ে উঠছে না। তবে কি মা আক্রান্ত হলো? তবে কি মা চলে যাবে! আর আমি মৃত্যুসংবাদ পাবো ফোনে! হঠাৎ যেন প্রসব দৃশ্য, ফুটপাতে, ধানক্ষেতে, হাসপাতালে, পৃথিবীর সর্বত্র।  একটা চৌকো সাদা ট্রেতে বত্রিশ বছর আগে, প্লাসেন্টা না কাটা আমার সদ্যজাত সন্তানের কিলবিল। নাড়ির বাঁধন, টান, ইত্যাদি শব্দবন্ধ, বাক্য। ভাত রাঁধতে এসে মায়ের পড়ে যাওয়া। পাঁজাকোলা মাকে পাঁচতলা থেকে নামানো। পরবর্তীকালে খুঁড়িয়ে হাঁটা। মাইল্ড স্ট্রোক কাটিয়ে উঠেও লোহার হিপ জয়েন্ট থাকায়, আর হাঁটতে না পারা। সব আমার জন্য, আমায় জড়িয়ে। 

                                                                                                                                                            আমার ডান চোখে তিনবার ইনজেকশন পড়েছে। রাস্তার মাঝের ডিভাইডার সেই চোখের সামনে এঁকেবেঁকে দ্রুত পালিয়ে যাওয়া সাপ। সন্ধ্যেবেলায় অবশ্যই বারণ। আমি পরের দিনের স্পষ্ট সকালে অনেকদিন বসে থাকা গাড়ি এবং নিজেতে স্টার্ট দিলাম। নিজের ভিতরের উজ্জ্বল আর মুন্নির গোল্ডিকে দিলাম ফুৎকার। একটাই ভয় পাওয়ানো, আর ভয়, হাইওয়েতে পারবো তো! কিন্তু সবকিছুর মতো, করোনা, লকডাউন, ভাইরাস, এদেরও পজিটিভ সাইড আছে। কলকাতার ব্যস্ত ভিআইপিতে মনপসন্দ ফাঁকা। এয়ারপোর্ট পেরিয়ে হাইওয়েতে পড়তে  সামনে যাচ্ছে, পিছনে মায়ের আশীর্বাদ লেখা শুধু একখানা নিরীহ ট্রাক। 

বরাবর যেমনটা হয়, এবারও তেমন। বাড়িতে হাসাহাসিও হল ফের। আমি আসার দুদিনের মধ্যে মা চাঙ্গা। জ্বর চলে গেল। শরীরের ব্যথা বেদনা যন্ত্রণা তলানিতে। বাড়িতে স্বস্তি। কথাবার্তা রান্নাবান্না হাসিমস্করায় জোয়ার। কিন্তু আমার জ্বর এলো। হু হু করে এলো। একশো দুই তিন। প্যারাসিটামল ছশো পঞ্চাশ কমাতে পারছেনা। দু-দিন গেল। তিন দিন গেল। কানু বিনে গীত নেই! নির্ঘাত করোনা। কিন্তু রোগের আতঙ্ক কাবু করছে কই? মৃত্যুভয় প্রায় ফিকে। যেন চলে গেছে। রিলিফ অনেক শক্তিশালী। মা ছেলে পাশাপাশি থাকতে পারার ত্রুটিহীন, আপশোশহীন সময় এখন কব্জায়। মাতালের মতো জ্বরের বেহুঁশ মৌতাতা করি। একশো বছরের পুরনো দেওয়াল, সেই নড়বড়ে জানালা, উঠোন। সেই মুরি, সেই উঠোনের সরু নালির রাস্তার বড়ো নালিতে চলে যাওয়া। নড়বড়ে, ফাঁক ফোকরের দরজা জানালা। সারাদিন ঘুমিয়ে নির্ঘুম রাতে স্নায়ু ধমনীর জালিকার মতো তিন প্রজন্মের শিকড় অনুভব করি। গভীর রাতে মুরি দিয়ে ইঁদুর, জানালা দিয়ে বিড়াল আসে, নিজস্ব অনুসন্ধানে। ঘুম না এলে তাদের মৃদু শব্দে কান পেতে রাখা অর্ধ শতকের অভ্যাস। এমন কি নালির সংযোগে ছুঁচো পর্যন্ত! তারাই তো প্রকৃত নিশাচর। এইবার, এখনও, শুনতে পেলাম, ‘কিঁচ কিঁচ কিঁচ কিঁচ!’ যেন পঞ্চাশ ষাট বছরের সম্পর্ক শিকড় ভিটে ভূঁই জিজ্ঞস করল, ‘কিরে তাহলে আসতে পারলি তো!’

  নীলিম গঙ্গোপাধ্যায়: সংগীতশিল্পী ও গল্পকার 

  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related post