• December 9, 2021

সুনীল শৈশবের কবিতা

 সুনীল শৈশবের কবিতা

বেঁচে থাকার শ্লোক আওড়ায়ে যাই

আলো থেকে অন্তর্হিত হয়ে,চোখের জোছনায়
অপূর্ব আভা মেখে বেঁচে রয়েছি সপ্রতিভ,
তুমি মৃগনাভির মতো নদীর জলসিঁড়ি টপকাও
জলের শরীর থেকে ঝেরে ফেলো রৌদ্রের ওমরঙ;

বহুদিন গেছে রোদ-জলে মাখামাখি করে
তোমাকে পড়ে রেখেছিলাম গুপ্তধনের মতো,
সমুদ্রের মতো কিছুপথ থাকে অচেনা,অন্ধকার
মাইলের পর মাইল পাখি বাসনাময়।…

ফাঁকির কৌশল শিখিনি জীবনকে করেছি ভোগ
চাঁদের ভুলে মেঘের চাদরে উড়িয়েছি চোখাশ্রু
তোমার থেকে বিদায় নিতে হবে-আমি সে ঘ্রান জানি
তোমার হৃদয় যবে স্পর্শ করেছিলাম প্রতীতি উৎসবে।

দিবারাত্রি রক্তচাপ নিয়ে ভালোাবাসি করুণ ভোর
বেঁচে থাকার এক-একটি শ্লোকে জীবন বিভোর।

মায়া

ঘুমের ঘোরে দেখি-জোছনা মাখা জীবন
তোমার মায়ায় ছুঁড়ে ফেলা বিগত যৌবন
স্পর্শের ভেতর যত ওম হরিণের চোখে
আমায় রেখেছ তুমি অদ্ভূত আলোকে।
ওগো চন্দ্রাবতী, তুমি কি জানো তাহা
প্রার্থনার কড়জোড়ে তোমার দীদার আহা;
আমার অমোঘ প্রেম তোমার দুয়ারে
আকুলি বিকুলি করে প্রেমের দোহারে।
অমৃতচাঁদ রচে প্রেমের খেয়ালি কবিতা
বর্ষার অগাধ ঘুমে লিখে রাখি আমি’ তা,
প্রেমে চ্ছলচ্ছল রূপালি রাতের ছায়ায়
বৃষ্টি ঝরিছে আহ অপরূপ জল মায়ায়!

পুঁই

জীবনের সরল পাঠে কিছু গল্প এমনি থাকে
নদীর মত সরল, পাহাড়ের মত পাললিক
মাঠের রাখালের মত নির্ভার:তারপরো থাকে
লুকায়িত মমি হয়ে যাওয়া উপাখ্যান,দহন ক্ষত
বুকের খাঁজে ঘুমিয়ে থাকে,কেউ জানেনা
সকলের মত আমারও কত না লেখা দাহপত্র
লেখার ফ্রেম পড়ে থাকে অনাদরে,অবহেলায়

চোখের ইশারায় উড়ে যাওয়া পাখির দলে
বহু পাখি জানেনা পালক গাঁথা, গোধূলি সময়ে
রোদের কান্নায় আমি হেঁটে গেছি সময়ের রাস্তা ধরে
যে পথের খুঁজে পুঁই হারিয়ে গেছে কোন একদিন
ওরকম পথ অনেকের থাকে,চেনা অথবা অচেনা

সুনীল শৈশব :
সাহিত্যের ছোট কাগজ স্বনন সম্পাদক।লিখেন গল্প,কবিতা,ছড়া।তবে কবিতাতেই বেশী স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।বাংলাদেশের প্রথমসারি দৈনিক, সাহিত্য পত্রিকা ও লিটলম্যাগে লিখছেন।লিখে চলেছেন ভারতের লিটলম্যাগগুলোতে।
পেশায় ব্যাংকার, নেশায় লেখক।

  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related post