• December 4, 2021

১৯১১ সালে আজকের দিনে শেষ হয়েছিল

 ১৯১১ সালে আজকের দিনে শেষ হয়েছিল

সুমিত গঙ্গোপাধ্যায় ঃ ১৯১১ সালে আজকের দিনে শেষ হয়েছিল ভারত বনাম এম সি সির মধ্যে চলা ম্যাচ। তিনদিনের ম্যাচ দুদিনে শেষ। উল্লেখ্য, ১৮৯২-৯৩ থেকে কুড়ি বছরের মধ্যে ভারতের এটি তৃতীয় বেসরকারি টেস্ট।

ভারত প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৩৬ রানে ৩ উইকেট হারায়, যার মধ্যে অধিনায়ক পাতিয়ালার মহারাজাও ছিলেন। এরপর ‘ক্লেম হিল অফ ইন্ডিয়া’ – মিস্ত্রী আর মুল্লা মিলে চতুর্থ উইকেটে ৭১ রান যোগ করেন। মিস্ত্রী ৭৮ করেন। কিন্তু ভারত আবার লাইন লাগায়। কিছুক্ষণ পরেই ১৪৪/৭। সেখান থেকে জে এস ওয়ার্ডেন (কলকাতার মাঠে যিনি ৫ বলে ৫ উইকেট নেন) ও পালওয়ানকর বালু মিলে ৫৫ রান যোগ করেন। ওয়ার্ডেন ৩৮ ও বালু ২৩ করেন। ভারত শেষ অবধি ২০৪ করে। এম সি সির টেস্ট ক্রিকেটার (এই দলে তিনজন টেস্ট ক্রিকেটার ছিলেন ) জন হেরনে ৪৭ রানে ৫ উইকেট নেন।

এরপর এম সি সি ব্যাট করতে নামলে জাহাঙ্গীর খানের কাকা আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের খান সালামুদ্দিনের ফাস্ট বোলিং এম সি সিকে বিপদে ফেলে (৬৭/৩)। কিন্তু তখন সেওয়েল (১২৯) ও লটন (৭৫) চতুর্থ উইকেটে ১১২ এবং সেওয়েল ও অধিনায়ক ওয়েইগাল (১০৩) পঞ্চম উইকেটে ১৩৯ রান যোগ করলে শেষ অবধি এম সি সি ৪৬৮ তোলে। সালামুদ্দিন ১২৯ রানে ৫ উইকেট ও বালু ৯৬ রানে ৫ উইকেট পান।

জবাবে ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে দাঁড়াতেই পারেনি। জন হেরনে ৩২ রানে ৪ উইকেট ও ফ্রাঙ্ক ট্যারান্ট ২৯ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ভারতকে মাত্র ৯৬ রানে অল আউট করে দেন।

অনভিজ্ঞ ভারত লড়তে পারেনি শেষের দিকে।

যে ছবিটি এই প্রতিবেদনের সঙ্গে দেওয়া হলো সেই ছবিটি দেখলে একটা ব্যাপার লক্ষ্য করা যায় যে সেইসময়ের ব্যাটসম্যানদের সামনের পা কিন্তু একস্ট্রা কভারের দিকে ঘোরানো ছিল।অর্থাৎ দুটো পায়ের পাতা ঠিক সমান্তরাল ভাবে থাকত না।
এই stance টা কার্তিক বসু বাংলার ক্রিকেটারদের শেখাতেন কারণ incoming delivery খেলতে এটা খুবই উপযোগী । শুধু তাই নয় on side stroke এর ক্ষেত্রেও সুবিধা পাওয়া যায় ।
বাংলার ক্রিকেট কোচিং ইতিহাসে এটা কার্তিক বসু ঘরানা। মনে হয় এল বি ডব্লুর নিয়মের জন্য এই রীতি পাল্টায়। এখন এইভাবে খেললে এল বি ডব্লু হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

  •  
  •  
  •  
  •  

Related post