• September 27, 2022

কেন বীরভূমেই এত সিণ্ডিকেট? শুধুই কি অনুব্রতর জন্যই? নাকি নেপথ্যে আরও কিছু?

 কেন বীরভূমেই এত সিণ্ডিকেট? শুধুই কি অনুব্রতর জন্যই? নাকি নেপথ্যে আরও কিছু?

অভিষেক দত্ত রায়

বীরভূম জেলা থেকে শুধুমাত্র গোরু পাচারে হয় তা কিন্তু নয়। কয়লা পাচার, বালির অবৈধ কারবার, পাথরের বেআইনি কারবার, বেআইনি পোস্ত চাষ, নকল সোনার কয়েনের ভয়াবহ কারবার, এমনকি, মাটি, কাঠ পাচারের রমরমা কারবার চলে। প্রশ্ন হল বীরভূমেই কেন এত দূর্নীতি, পাচার, কালোবাজারি, তোলাবাজি হয় বা অভিযোগ ওঠে? শুধু কি এখানে অনুব্রত মণ্ডল আছে বলে? না, তা কিন্তু নয়৷ আসলে বীরভূম হল করিডোর। বীরভূমের একদিকে ঝাড়খণ্ড, অন্যদিকে মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান জেলা। মুর্শিদাবাদ জেলায় বিস্তীর্ণ বাংলাদেশ সীমান্ত৷ ফলে যে কোন চোরা কারবারের মজুত স্থল হিসাবে বীরভূম সব থেকে নিরাপদ। এই জেলায় রয়েছে কবিগুরুর শান্তিনিকেতন ও সিদ্ধপীঠ তারাপীঠ। এই দুটিকে কেন্দ্র করে অতি সহজেই দূরদূরান্তের মানুষের আনাগোনা। যা স্বাভাবিক ভাবেই সন্দেহের কারন হতে পারে না। তাই ককরিডোর বীরভূম হল যে কোন মাফিয়াদের কোমল নিরাপদ স্থান।

এবার আসা যাক বীরভূম থেকে কি কি পাচার, বেআইনি কার্যকলাপ, পাচার হয় এবং তাতে শাসক দল ও অনুব্রত মণ্ডলের ভূমিকা কি থাকে।

গোরু পাচার –

বীরভূমের ইলামবাজারে সুখবাজার পশুহাট। এটি মূলত গোরুর হাট হিসাবেই পরিচিত। পশুহাট কখনই বেআইনি নয়। ১২০ থেকে ১৩০ বছর ধরে চলে আসছে এই পশুহাটটি৷ আপনিও এই হাটে গিয়ে গোরু, মোষ, ভেড়া, ছাগল, মুরগি, হাঁস কিনতে পারবেন৷ আপনাকে রসিদ ও বৈধ চালানও দেওয়া হবে৷ এতে কোন আইনি জটিলতাও নেই৷ প্রতি শনিবার বসে এই হাট৷
তাহলে প্রশ্ন বেআইনি কারবার কিভাবে হয়?
দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে সব থেকে বড় গোরুর হাট হিসাবেই পরিচিত এই সুখবাজার৷ শনিবারের আগে থেকেই জেলা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে গোরু এনে মজুত করা হয়৷ বিহার, ঝাড়খণ্ড সহ উত্তরপ্রদেশ থেকেও গোরু আসে এই হাটে৷ প্রাণী সুরক্ষা আইন অনুযায়ী গাড়ি করে পশু নিয়ে যাওয়াটাই বেআইনি৷ কিন্তু, এই হাটে দেখা যায় ছোট-বড় ট্রাক, মেটাডোর, লরি করে নৃশংস ভাবে গোরু আনা নেওয়া করা হয়৷ গাড়ি পিছু পুলিশকে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা দিলেই মেলে ছাড়পত্র। বীরভূমের ইলামবাজার, বোলপুর, শান্তিনিকেতন, নানুর, লাভপুর থানা গোরু পাচারের টাকায় লাভবান হয়৷ প্রতি শনিবার এই থানাগুলির বাড়তি আয় হয় গোরু গাড়ি থেকে টাকা তুলে৷ অন্যদিকে, একই ভাবে লাভবান হয় বর্ধমান জেলার কাঁকসা থানা৷ এটা গেল স্থানীয় ভাবে গোরু পাচার অর্থাৎ, বীরভূম জেলা থেকে রাজ্যের অন্যান্য জেলায় পাচার হয় গোরু, পুলিশকে টাকা দিয়ে৷
বড় অংকের খেলাটা অন্য রকম ৷ ইলামবাজার হাটে একটা গোরুর দাম ৪০ থেকে ৮০ হাজার টাকা। বড় গোরু ১ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়৷ ৪০ থেকে ৮০ হাজারের গোরু বাংলাদেশে দাম হয় ১ লক্ষ ২০ হাজার থেকে দেড় লক্ষ টাকা, বড় গোরু ২ লক্ষ টাকা৷ তাই বাংলাদেশে গোরু পাচার না করলে লাভ হয় না কারবারিদের৷ বাংলাদেশের গোরু পাচারের মূল পাণ্ডা হল এনামুল হক৷ আর ইলামবাজারে এই কারবার সামলাত এনামুলের আত্মীয় আব্দুল লতিফ ওরফে হিঙ্গুর শেখ৷ বর্তমানে ফেরার এই হিঙ্গুর।
প্রতি শনিবার হাট শেষে ইলামবাজারের চৌপাহারি জঙ্গলের ভিতরে মজুত করা হয় গোরু ৷ নম্বর প্লেটহীন বড় ভড় কনটেনারে গোরু বোঝাই করা হয় ৷ এক একটি কনটেনারে ১০০ টি পর্যন্ত গোরু বোঝাই হয় ৷ এই কনটেনার গুলি ইলামবাজার জঙ্গল পথ হয়ে বোলপুর থানার উপর দিয়ে নানুর হয়ে মুর্শিদাবাদে চলে যায়৷ সেখান থেকে সরাসরি বাংলাদেশ সীমান্তে৷ ইলামবাজার থেকে বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত গোরু নিয়ে যাওয়ার জন্য যার ভূমিকা ছিল সে হল বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। গোরু পাচারের সিণ্ডিকেটের মাথায় বসে পুলিশ, প্রশাসন, একাংশ সাংবাদিকদের টাকার ভাগ দিয়ে নিরাপদ রাস্তা তৈরির কারিগর এই অনুব্রত৷ অর্থাৎ, গোরু পাচারের টাকা অনুব্রত মণ্ডল ছাড়াও পেত বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলার পুলিশ আধিকারিকেরা, প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা ও সাংবাদিক একাংশ৷ ফলে নীরব থাকত সকলেই। প্রতি শনিবার ইলামবাজার থেকে দফায় দফায় ১০০ থেকে ১৫০ টি কনটেনার যেত বাংলাদেশ সীমান্তে। সীমান্ত পাড়াপড়ে ভূমিকা পালন করত বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)। এক কথায় উপর থেকে নীচে সকলেই টাকার ভাগে এক থালায় চলে আসত৷ এভাবেই বীরভূমে থেকে দিনের পর দিন রমরমিয়ে চলেছে গোরু পাচার।

কয়লা পাচার –

ছোট নাগপুর মালভূমির অন্তর্গত হওয়ায় খনিজ সম্পদে ভরপুর এই বীরভূম জেলা। রয়েছে ব্যাসল্ট শিলা, কয়লা, খড়িমাটি প্রভৃতি। বীরভূমের দুবরাজপুর, লোবা, ছানুচ, খয়রাশোল, কাঁকরতলা, দেউচা-পাচামি, মহম্মদবাজার প্রভৃতি এলাকায় ব্যসল্ট শিলাস্তরের নীচেই রয়েছে বিপুল কয়লার মজুত৷ তাই এই এলাকাগুলিতে প্রচুর ছোট ছোট বেআইনি কয়লা খাদান রয়েছে৷ আনুমানিক ১২০০ টি৷ এখান থেকে কয়কা তুলে ছোট ট্রাক, মেটাডোরে করে পাচার করা হয়৷ এমনকি, সাইকেল, বাইকে করেও স্থানীয় কারবারিরা পাচার করে থাকে কয়লা৷ যাত্রীবাহী বাসে করেও বীরভূমে ভোরের দিকে কয়লা পাচার হয়৷ এগুলো গেল ছোটখাটো পাচারের কথা৷ স্থানীয় পুলিশকে ১০০ থেকে ৫০০ টাকা দিয়ে চলে এই কারবারগুলি। বড় কারবার হল, রাতের অন্ধকারে বড় বড় ট্রাক, লরি, ১০ চাকা টেলারে করে প্ল্যাস্টিক ঢাকা দিয়ে কয়লা পাচার হয় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত সহ ভিন রাজ্যেও৷ এই পাচারের ক্ষেত্রেও সিণ্ডিকেট রয়েছে। প্যাড সিস্টেম৷ কয়লা মাফিয়া, পুলিশ প্রশাসন, প্রশাসন ও শাসক দলের নেতা মন্ত্রীরা বসে ঠিক করেছে এই প্যাডের নিয়ম। অর্থাৎ, গাড়ি পিছু একটা অংক এক জায়গায় জমা দিলেই মেলে অবাধ যাতাযাতের ছাড়পত্র। বিশেষ চিহৃ দেওয়া প্যাড দেখালেই বোঝা যায় এই গাড়িটি সিণ্ডিকেটের অন্তর্ভুক্ত। এখানেও মূল ভূমিকা অনুব্রত মণ্ডলের। তবে গোরু পাচারের মত এই টাকাও শুধুমাত্র অনুব্রত মণ্ডলের ঘরে যেত তা নয়৷ জেলার পুলিশ আধিকারিক, প্রশাসনের কর্তাব্যক্তি ও সাংবাদিকদের একাংশ প্রতি মাসেই পেয়ে যেত কয়লা কারবারের সিণ্ডিকেটের টাকা। বীরভূমে কয়লা কারবারের মূলে মহম্মদ মহিম, শেখ ইউসুফ।

পাথর পাচার –

কয়লার মতই একই পদ্ধতিতে পাথরে কারবার চলে। তবে এক্ষেত্রে বৈধ পাথর শিল্পের আড়ালে চলে বেআইনি চোরা চালান৷ বীরভূমের দেউচা-পাচামি, মহম্মদবাজার, নলহাটি প্রভৃতি এলাকায় বিপুল পরিমাণে ব্যাসল্ট শিলাস্তর রয়েছে। কমবেশি এই জেলায় ২৫ টি মত বৈধ পাথর খাদান রয়েছে। অবৈধ প্রায় ১৫০ টি৷ এছাড়া, এই জেলায় সরকারি কাগজে কলমে পাথর ক্যাশার রয়েছে ২৭৫ টি। বেআইনি পাথর ক্যাশার রয়েছে ১২০০ টি৷ খাদান থেকে বড় বড় পাথরের চাঁই আসে ক্যাশারগুলিতে৷ ছোট থেকে বড় পরিমাপ অনুযায়ী পাথর ভেঙে বিক্রি করা হয়৷ মহম্মদবাজার থানা এলাকায় একটি সম্পূর্ণ বেআইনি টোল রয়েছে। পাথর বোঝাই ট্রাক, লরি, ডাম্পার থেকে টোল আদায় করা হয়৷ প্যাড সিস্টেমে চলে পাথরের চোরা কারবার৷ এই পাথর মাফিয়ার অন্যতম হল টুলু মণ্ডল। যে অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত। এই টুলু মণ্ডলের পাথরের ব্যবসায় অনুব্রতর টাকাও লগ্নি হয়৷ আসল কথা হল টুলু মণ্ডলকে পাথরের কারবার চালানোর দায়িত্ব পাইয়ে দেয় এই অনুব্রত। যার বিনিময়ে মোটা অঙ্ক পৌঁছে যায় অনুব্রতর ঘরে৷ পাশাপাশি, আরও মুনাফার লোভে অনুব্রতর টাকা লগ্নি হয় পাথর শিল্পে৷ তাই গোরু পাচারের তদন্তে নেমে এই টুলু মণ্ডলের বাড়ি, অফিসে হানা দেয় সিবিআই অফিসারেরা।
এই পাথরের বেআইনি কারবারের টাকা অনুব্রত মণ্ডল ছাড়াও, জেলার অন্যান্য তৃণমূল নেতা, মন্ত্রী, পুলিশ আধিকারিক, প্রশাসনের কর্তাব্যক্তি, এমনকি সাংবাদিকদের একাংশের কাছেও পৌঁছে যায়৷

বালি পাচার –

বীরভূম জেলায় অজয়, ময়ূরাক্ষী, দ্বারকা, ব্রাহ্মণী, শাল প্রভৃতি নদী থেকে বালি তোলা হয়৷ অজয় ও ময়ূরাক্ষী নদীর বালি উৎকৃষ্ট মানের৷ তাই এই দুটি নদ-নদী থেকে বেশি বালি উত্তোলন হয়৷ এই জেলায় প্রায় ২৫০ টি বৈধ বালির ঘাট রয়েছে। যেখান থেকে জেলা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরে রাজস্ব আসে। বাকি ৮৮০ টি বেআইনি বালির ঘাট আছে৷ যার রাজস্ব সরকারের খাতে জমা পড়ে না৷ এই টাকা এক জায়গায় মজুত হয়ে ভাগ হয়৷ তৃণমূল নেতা, পুলিশ, প্রশাসনের আধিকারিকেরাও যুক্ত এই সিন্ডিকেটে৷
নদ-নদী থেকে বালি তোলার ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি বিজ্ঞানসম্মত বিধি নিষেধ রয়েছে। জেসিবি মেশিন দিয়ে নদী গর্ভ থেকে বালি তোলা যাবে না৷ এতে নদীর গতিপথ বদলে যায়। কোন সেতুর ৫০০ থেকে ৭০০ মিটারের মধ্যে বালি তোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কারন এতে সেতুর আয়ু কমে যায়। ওভার লোড বালি বহন করা যাবে না। বালি জল দিয়ে ভিজিয়ে নিয়ে যেতে হবে ও প্ল্যাস্টিক দিয়ে ঢাকা দিয়ে নিয়ে যেতে হবে। কিন্তু, দেখা যায় এই জেলায় সব নদ-নদীতে জেসিবি মেশিন, লরি, ডাম্পার নামিয়ে বালি তুলে ওভার লোড গাড়ি রমরমিয়ে চলে৷ সেতুর কাছ থেকেও বালি তুলে নেওয়া হয়৷ নির্বিকার থাকে পুলিশ-প্রশাসন৷ কোপাই নদী থেকে বালি তোলার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা থাকে। সেই নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করেই রাতের অন্ধকারে চলে বালি তুলে পাচার৷ লাভপুর, নানুর, ইলামবাজার, সিউড়ি, বোলপুর, রামপুরহাট এলাকায় সব থেকে বেশি হয় অবৈধ বালির কারবার৷ গাড়ি পিছু বালির টাকা ও ঘাট দখল রাখতে টাকা জমা হয় এক জায়গায়৷ সেখান থেকে প্রতি মাসে মিলেমিশে ভাগ করে নেওয়া হয় একটি সিণ্ডিকেটি কায়দায়।
অবৈজ্ঞানিক ভাবে বালি তোলার জন্য প্রকৃতিক ভারসাম্য হারাচ্ছে, জেলার ভূপ্রকৃতি বদলে যাচ্ছে৷

নকল সোনার কয়েনের কারবার –

বীরভূমের সাঁইথিয়া, আহমেদ, লাভপুর প্রভৃতি এলাকায় অভিনব কায়দায় চলে নকল সোনার কয়েনের কারবার৷ হঠাৎ করেই শোনা যায় বা রটানো হয় স্থানীয় কোন এক আদিবাসী বা সাঁওতাল পরিবার মাটি খুঁড়তে গিয়ে সোনার কয়েনের ঘরা পেয়েছে। একটি বা দুটি আসল সোনার কয়েন দূর দূরান্তের কোন ধনী ব্যাক্তিকে দেখানো হয়৷ দেখে পরীক্ষা করিয়ে ভুল বুঝিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে ঘরা ভর্তি নকল সোনার কয়েন বিক্রি করে দেওয়া হয়৷ এভাবে লোভে পরে সোনা কিনতে গিয়ে ঠকে বহু মানুষ। একটা বড় সক্রিয় চক্র রয়েছে নকল সোনার কয়েনের কারবারে যুক্ত৷ পুলিশের অজানা নয় এক কারবার৷

বেআইনি পোস্ত চাষ

বীরভূমে ঝাড়খণ্ড লাগোয়া গ্রামগুলি সহ বোলপুর ও নানুরের অজয় নদের বক্ষে রমরমিয়ে চলে বেআইনি পোস্ত চাষ। পোস্ত গাছের খোলাই হল নিষিদ্ধ মাদক আফিম। এই আফিম ঝাড়খণ্ড, বিহার হয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাচার করা হয়৷ বছরের বীরভূম তবে প্রায় হাজার কেজি পোস্ত ফল চোরা পথে চালান হয়ে থাকে৷

এইগুলি হয় বীরভূম জেলার মূল সিণ্ডিকেট৷ অনুব্রত মণ্ডল এই সিণ্ডিকেটের মাথায় কে বসবে, অর্থাৎ কোন পাচারে কার দায়িত্ব সেটা ঠিক করে দেয়৷ তবে এই সিণ্ডিকেটের টাকা অন্যান্য বিধায়ক, মন্ত্রীদের ঘরেও যায়৷ শুধু শাসক নয়, বিরোধী দল বিজেপির জেলা শীর্ষ নেতারাও ভাগ পায় এই টাকার। এছাড়া পুলিশ আধিকারিকেরা, প্রশাসনিক আধিকারিকেরাও ভাগ পায়৷ সিণ্ডিকেটের টাকার ভাগে আয়ের থেকে বেশি সম্পদ এই জেলার বেশকিছু সাংবাদিকেরও। এভাবেই দীর্ঘ দিন ধরে একে অপরের পরিপূরক হয়ে চলে আসছে সিণ্ডিকেট, দূর্নীতির রমরমা কারবার৷ মুনাফার জন্য মুখ বন্ধ সকলেরই৷

অভিষেক দত্ত রায়: সাংবাদিক,লেখক

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Related post