• July 2, 2022

Category : দেশ

দেশপশ্চিমবঙ্গ

হুল দিবসের অঙ্গীকার

হুল দিবসের অঙ্গীকার মলয় তেওয়ারি সন্ন্যাসী-ফকির বিদ্রোহ, তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা, চুয়াড় বিদ্রোহ, ফরিদপুরের দিদুমীর, চিটাগাঙের চাকমা বিদ্রোহ, কোল ও ভূমিজ সহ অসংখ্য বিদ্রোহের পথ বেয়ে এসেছিল ১৮৫৫’র হুল বা সাঁওতাল বিদ্রোহ যা এক তীব্র সশস্ত্র গণসংগ্রামের রূপ নিয়েছিল। হুল বিদ্রোহ সাঁওতাল সমাজকে বিপ্লবী জাতীয়তাবাদে ঐক্যবদ্ধ করে এবং অন্যান্য আদিবাসী জনগোষ্ঠিকে উজ্জীবিত করে। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই চালানোর যে দৃষ্টান্ত ও সম্ভাবনা হুলের মধ্যে দিয়ে সাঁওতাল জাতি সামনে এনেছিল তা সমগ্র ভারতে স্বাধীনতার আকাঙ্খাকে জাগিয়ে তুলেছিল। হুRead More

দেশ

গ্রেপ্তার Alt News এর মহম্মদ জুবেইর

সৌরভ রায় তিস্তা শেতলাবাদ, আর. বি শ্রীকুমারের পরে এবার গ্রেফতার মহম্মদ জুবেইর, Alt Newz এর যুগ্ম প্রতিষ্ঠাতা। সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপির আইটি সেল প্রতিদিন নামে বেনামে যেসব নির্জলা মিথ্যে ছড়িয়ে মুঠোফোন ভর্তি করে দেয় সেসবের ভাণ্ডা ফোঁড় করে এই Alt Newz। হিন্দুত্ববাদীদের কত শত দাঙ্গার উস্কানিতে যে জল ঢেলে প্রকৃত সত্য সামনে এনেছেন এই জুবেইর আর তাঁর বন্ধু ও সহকর্মী প্রতীক সিনহা। স্বাভাবিক, এতে সংঘ পরিবারের অসুবিধা হবেই। তাই অন্য একটা কেসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে কোত্থেকে একটা "ধর্ম অবমাননার" কেস দিয়ে এবার তাঁকেও তুলে নেওয়া হল; নুপুর শর্মা কিন্তু এরেস্ট হয়নি, বরং সাসপেনশনের নাটক সাজিয়ে কিছুটা রেস্ট দেওয়া গেছে- অক্লান্তভাবে ইসলাম বিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য আবার মাঠে নামাতে হবে কিনা। সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপারটা প্রতীক সিনহা জানাচ্ছেন, আচমকা গ্রেফতার করে জুবেইরকে কোনো একটা অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং সেখানে যারা পুলিশের উর্দিতে আছে তাদের কারোর পোশাকে নেমপ্লেট নেই! বুঝতে পারছেন? এই দৃশ্য মুলত দিল্লির ছাত্র নাজিবের কথা মনে করিয়ে দেয়।Read More

আসামদেশ

আমাদের পরিবেশ, আমাদের ভাবনা

আমাদের পরিবেশ, আমাদের ভাবনা। আ,ফ,ম, ইকবাল পোশাকী ভাষায় কোনাে একটি স্থানে নগর সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে বা জনসংখ্যাগত দিক থেকে শহরের আয়তন বৃদ্ধিজনিত প্রক্রিয়াকে নগরায়ণ বা Urbanisation বলা হয়। গ্রাম বসতি কিংবা অনুন্নত শহর থেকে মানুষ যখন জীবিকার সন্ধানে বা বিলাসিতার কারণে, শিক্ষা কিংবা আর্থসামাজিক কারণে কোনাে বড় শহরে গিয়ে বসবাস করে, সেখানকার জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। জনসংখ্যার অধিকাংশ মানুষ যখন দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত হয়, তখন তাকে নগরায়ণ বলা হয়। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে আমাদের চারপাশ থেকে গাছপালা ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। এতে পরিবেশ ও জীবজন্তুর জীবনধারণ দুর্বিষহ হয়ে উঠছে বৈশ্বিক উষ্ণতা, জলবায়ু পরিবর্তন, গ্রিন হাউস ইফেক্ট, ওজোন স্তরের ক্ষয়, মেরু অঞ্চলের বরফ গলন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, মরুকরণ, খরা ও বনাঞ্চলের পরিমাণ হ্রাস সহ বিভিন্ন কারণে আজ আমরা মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখোমুখি। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেRead More

দেশপশ্চিমবঙ্গ

“ভারতীয় কলারত্ন আর্ট এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড” জিতে নজর কারল বাংলার ময়ূখ

দেশের সঙ্গীত সম্রাজ্ঞী, কোকিলা কোন্ঠী লতা মঙ্গেশকরের প্রয়াণে সংগীত শিল্পী কে শ্রদ্ধার্ঘ্য জ্ঞাপন করতে মাত্র তিন মিনিটে এঁকে ফেলেছিলেন তাঁর ছবি। আর সেই শ্রদ্ধার্ঘ্য জ্ঞাপন এনে দিলো ময়ূখের হাতে "ভারতীয় কলারত্ন আর্ট এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড"।Read More

দেশপশ্চিমবঙ্গ

পলাশী যুদ্ধ : চক্রান্ত , ট্র্যাজেডির ইতিহাস

পলাশী যুদ্ধ : চক্রান্ত , ট্র্যাজেডির ইতিহাস হাসিবুর রহমান ভারত বর্ষের ইতিহাসে চক্রান্ত ও ট্র্যাজেডির সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা হল ২৩শে জুন পলাশীর যুদ্ধ । পলাশীর প্রান্তরে যুদ্ধ যুদ্ধ নামক প্রহসনের মধ্য দিয়ে ইংরেজরা ভারতে মুসলিম শাসনের বিরুদ্ধে তাদের দেড়শ ' বছরের বেশি সময়ের চক্রান্তের সফল বাস্তবায়ন করে । ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর প্রান্তরে বাংলা তথা ভারতের স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয় । স্বাধীনতার বিমূর্ত প্রতীক দেশপ্রেমিক নবাব সিরাজ-উদ-দৌলাকে তারা নির্মম ও নৃশংসভাবে খুন করে তাঁর দেহকে নিয়ে ইতিহাসের জঘন্যতম তামাশায় লিপ্ত হয় । দেশ ও মানবতার শত্রুরা নবাবের পবিত্র চতুষ্পদ জন্তুর সাথে বেঁধে দিনভর মুর্শিদাবাদের রাজপথে টেনে হিঁচড়ে বেড়িয়েছিল । সবশেষে দেশপ্রেমিক নবাবের অসাড় দেহকে কেটে টুকরো টুকরো করে কুকুর - শৃগালের খাবার হিসেবে ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলেছিল । বস্তুত , দেশ ও মানবতার ঐ শত্রুরা সেদিন বাংলা ও ভারতের স্বাধীনতা সূর্যকেই অতল অন্ধকারে ছুঁড়ে মেরেছিল । জুন মাস আমাদের ইতিহাসের সেই ট্র্যাজেডিকে স্মরণ করিয়ে দেয় । ১৭৫৭ সালে ইংরেজ ও তাদের দালালদের চক্রান্তে তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় । সে সাথে তাঁর জীবনে মহানুভবতা , বিচক্ষণতা , বীরত্ব ও মহত্ত্বকে ইচ্ছাকৃতভাবে ইতিহাসে বিকৃত করা হয়েছে । আর ভারতের মাটি রক্ষা করতে নিজের দেহের সমস্ত রক্তবিন্দু দিয়ে যিনি ভারতের মাটিকে রক্ত রঞ্জিত করলেন তাঁর ঐতিহাসিক স্বাতন্ত্র্য রক্ষার জন্য সামান্যতম চেষ্টার পরিবর্তে অসামান্য Read More

দেশপশ্চিমবঙ্গ

লকডাউনের ভবিষ্যৎ

মধুরিমা দাস মোদী সরকার দ্বারা লাগুকৃত প্রথম লকডাউন জনগনের গন্তব্য পরিবর্তনের একটি বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। জাতীয় পরিসংখ্যান অফিসের তত্ত্বাবধানে পর্যায়ক্রমিক শ্রমবাহিনীর সমীক্ষা দ্বারা প্রকাশিত তথ্য এই বিষয়টির প্রমানকে মান্যতা প্রদান করেছে। "ভারতে অভিবাসন ২০২০-২০২১" শিরোনামের একটি প্রতিবেদনে সমীক্ষাটি, জুলাই ২০২০ থেকে জুলাই ২০২১ এই এক বছর সময়ের মধ্যে অভিবাসন এবং অভিবাসীদের অবস্থার একটি বিবরণ তুলে ধরেছে৷ সমীক্ষাটিতে মোট ১,১৩,৯৯৮ অভিবাসীদের ক্ষেত্রমাপ করা হয়েছে। লক্ষ্য করার বিষয় এই যে ৫১.৬% গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগন মহামারীর পরে শহরাঞ্চল থেকে স্থানান্তরিত হয়েছে।এই পরিসংখ্যানটি অভূতপূর্ব বেকারত্বের সংকটকে প্রমাণ করে যা প্রথম লকডাউনের পরের মাসগুলিতে যন্ত্রণাদায়ক ভাবে চূড়ান্ত পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। লকডাউনের পর সরকারের তরফ থেকে বেকারত্বের পরিসংখ্যান ও সঙ্কট বিষয়ে তথ্য প্রদান না করা হলেও, CMIE এর মতো নির্ভরযোগ্য বেসরকারি সংস্থা তাদের সমীক্ষা দ্বারা প্রাপ্ত তথ্য প্রদান করে বিষয়টিকে সর্বসম্মুখে তুলে ধরেছে। CMIE এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে গ্রামে এবং শহরে মোট ১২২ মিলিয়ন মানুষ চাকরি হারিয়েছে। সাধারান মানুষের চাকরি খোয়ানোর এই পরিসংখ্যান, FY21 এর প্রথম ত্রৈমাসিকে নথিভুক্ত করা জিডিপি ডেটার সাথে মিলে যায় যা Read More

দেশ

‘অগ্নিপথ’ এর অগ্রগামিতা!

দেশ জুড়ে জ্বলছে আগুন।কারণ? 'অগ্নিপথ' শুরু হতে চলেছে।কোনো অ্যাকশন ছায়াছবি নয় কিন্তু;এক্কেবারে সরকারি সিদ্ধান্ত।নতুন এক যোজনা এনেছে কেন্দ্রীয় সরকার অর্থাৎ বিজেপি সরকার।তারই বিরুদ্ধে দিকে দিকে শুরু হয়েছে বিপুল আন্দোলন এবং সে আন্দোলনের চরিত্র যথেষ্ট উগ্র।আদপে যোজনাটি ঠিক কী তা আগে জেনে নিই—Read More

দেশবিদেশ

বাঁচতে চাইলে প্রকৃতি বাঁচান– হাতে আর সময় নেই বন্ধু।

প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদত ও সহযোগিতায় বহুজাতিক কোম্পানিগুলো পাহাড়প্রমাণ লাভের কড়ি সচল রাখতে প্রকৃতি-পরিবেশকে করছে বিধ্বস্ত। জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যা এমন এক জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে যে, বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন সমীক্ষা ও গবেষণার সূত্র ধরে জানাচ্ছেন– অদূর ভবিষ্যতে পৃথিবীটাই মানুষ সহ সকল জীবজন্তুর বসবাসের অনুপযুক্ত হয়ে পড়বে। IPCC (Intergovernmental Panel on Climate Change) 'র ষষ্ঠ রিপোর্টে সারা বিশ্বের সাথে ভারতবর্ষের জন্যও ভয়ঙ্কর বিপদবার্তা জারি করা হয়েছে। রিপোর্টের ছত্রে ছত্রে বিজ্ঞানীদের উদ্বেগ স্পষ্ট– ভূউষ্ণায়ন, বরফের অতি দ্রুত গলন এবং সমুদ্রের জলস্তরের ফুলে-ফেঁপে ওঠার কারণে খুব বেশি হলে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের কম করে ৪০০ টি উপকূলবর্তী শহর জলের তলায় তলিয়ে যাবে। এই তালিকায় কলকাতা সহ ভারতের ১২ টি শহরও বিপর্যয়ের প্রহর গুনছে। কলকাতা, মুম্বাই, দিল্লি, নয়ডার মতো মেট্রো শহরগুলিকে বলা হচ্ছে ' আরবান হিট আইল্যান্ড'। Read More

দেশ

সংখ্যাগুরু বন্ধুকে বলছি, ভাবুন তো সত্যিই কি আপনি সংখ্যালঘু মানুষটির জন্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন?

বিজেপি এবং আরএসএস যা চেয়েছিল, তাতে তাঁরা মোটামুটি সফল। এই নূপুর শর্মার একটি মন্তব্য তাঁদের পালে যেভাবে হাওয়া দিতে পেরেছে, তাতে এই কথাটাই বলা যায়। পাড়ার মোড় থেকে যেকোনো চায়ের দোকানে, একটাই আলোচনা, যেভাবে সংখ্যালঘু মানুষজন নূপুর শর্মার বক্তব্যের বিরোধিতা করতে গিয়ে এবং তাঁর গ্রেপ্তারির দাবিকে সামনে আনতে গিয়ে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছেন, তাকে সমর্থন করা যায় না। অথচ এই ছবি বা ভিডিওর কতটা সত্যি, আর কতটা বানানো তা কিন্তু কেউ জানে না। এটাকেই বলে ভয় ঢুকিয়ে দেওয়া বা ফিয়ার সাইকোসিস। গত কয়েকদিনের ঘটনায় এই বাংলার হিন্দুরা অসুরক্ষিত বোধ করছেন। রাস্তাঘাটে কান পাতলে এটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। কিন্তু এরপর যদি প্রশ্ন করা হয়, কেন করছেন, তাহলে সমস্যায় পড়বেন অনেকেই। দেশের আশি শতাংশ মানুষ হিন্দু, দেশের সমস্ত নেতা মন্ত্রী, শাসক দলের সমস্ত সাংসদ থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতিও হিন্দু, প্রধান বিচারপতি, সামরিক প্রধান, রাজ্যপাল সবাই হিন্দু , তা সত্ত্বেও কেন এই নিরাপত্তাহীনতা, কেন এই প্রশ্ন, কই, ওঁরা যখন হিন্দুদের ঘরবাড়ি জ্বালাচ্ছে, আপনারা কিছু বলছেন না কেন ? তাহলে ভাবুন গত আট বছর ধরে যাঁরা ক্রমাগত আখলাকদের মব লিঞ্চিং দেখছেন বা জয়শ্রী রাম না বলার জন্য যাঁকে পিটিয়ে মারা হচ্ছে , যাঁর উপাসনাস্থল কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, তাঁর কি মনে হচ্ছে? কি পরবেন, কি খাবেন, যদি সংখ্যাগুরুরাই নির্ধারণ করে দেন, তাহলে একজন সংখ্যালঘু মানুষের কেমন লাগে? রোজ দিন যদি একজন সংখ্যালঘু মানুষকে ঘুমাতে যেতে হয় এটা ভেবে যে কাল আমার বাড়ির ওপর বুলডোজার চালানো হবে না তো? তাহলে তাঁর কেমন মনে হয়? তাঁরা কতটা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, এটা কি সংখ্যাগুরু মানুষেরা কোনোদিন ভেবে দেখেছেন? আসলে সংখ্যাগুরুর মধ্যে এই নিরাপত্তাহীনতা চারিয়ে দেওয়া যে কোনও ফ্যাসিজমের লক্ষ্মণ। পারস্পরিক অনাস্থার আবহ একবার তৈরী করা গেলে এ নিজেই নিজেকে পরিপুষ্ট করে। তখন আর সংখ্যালঘুর ওপর হওয়া অত্যাচার বা অবিচার চোখে পড়ে না।Read More

দেশপশ্চিমবঙ্গ

মুসলমানরা অশান্ত হলেন কেন?

আব্দুল হালিম বিশ্বাস পয়গম্বর কেবল একজন ধর্ম প্রচারক ছিলেন না। ইসলামিক সমাজের অর্থনীতি, সমাজনীতি, রাষ্ট্রনীতি, যুদ্ধনীতি, মানুষের জীবন ও যাপন নিয়ে সুচিন্তিত অভিমত ব্যক্ত করেছেন। তিনি একজন সফল সমাজ সংস্কারক, দার্শনিকও। এই অর্থে পয়গম্বর ঐতিহাসিক চরিত্র। ঐতিহাসিক চরিত্র যুগে যুগে আলোচিত ও বিশ্লেষিত হবে সেটাই স্বাভাবিক। অবশ্য আলোচনা ও কটুক্তি কখনো এক নয়। দুইয়ে বিস্তর ব্যবধান আছে। আলোচনার উদ্দেশ্য হলো যথার্থ মূল্যায়ন। যেখানে কটুক্তির উৎস হলো মুখ্যত ক্রোধ। কখনো বা ঘৃণা ও বিদ্বেষ। আধিপত্যবাদী স্পর্ধা প্রদর্শণেও অনেকে কটুক্তি করে থাকেন। খুব ছোট থেকেই মৌলবী মৌলানা সাহেবদের ওয়াজ নসিহতে শুনেছি পয়গম্বর বাহান্ন বছর বয়সে প্রথম খলিফার ছয় বছরের কন্যাকে বিবাহ করেন। আসলে তখন বিবাহের জন্য বয়সের কোনো সীমাবদ্ধতা ছিল না। এগুলো সবই তৎকালীRead More