পৌলমী গুহ

যে কোনও একটিই বেছে নেওয়া
সামনে সাজানো থাকে।
কিছুজন ধুলোতে গড়ায়,
আরও কিছু রাস্তায় নামে।
কখনও রাষ্ট্রের নামে পিষে যায়,
খবরে পড়ি, অমুকে এই বলেছে।
নিশ্চিন্ত হই, বাজারে মাছের দাম দেখি।

আমাদের আসলে যায় আসে না,
আসেনি কোনওদিন।
কবিতা-উৎসবে ডাক পেলেই জীবন সার্থক হয়।

বিপ্লব স্রেফ বিলাসিতা।

এইসব ঘর-বাড়ি, উঠোন…

একটা ঘুম ঘুম ভাব আদুরে বেড়ালনী হয়।
নুড়িতে কিরকির তুলে
চলে যায় অনামা সাইকেলের উদ্ধত আচরণ।
এখানে সব আছে।
যা যা প্রয়োজন হয়, বাঁচার নামে।
সন্ধ্যের আগে আকুল ডাকে পোষ্যরা ঘরে ফেরে
অথচ, কোনও কোনও ঘর এতো অন্ধকার
জ্যোৎস্নাও ভয় পেয়ে চৌকাঠে থেমে যায়।

আমার ও তোমার

ছবিতে ছয়লাপ হয় কুরুক্ষেত্র।
অশ্লীল ব্যক্তিগত থেকে সকলের,
সবাইয়ের ও প্রত্যেকের হয়।

তবু কারা কবিতা পড়ে,
গান গায়,
হাতে হাতে তালি মেরে প্রতিবাদ করে।
তাদের মুখ দেখা যায় না।
ভাগ্যিস!

পৌলমী গুহ : উত্তরবঙ্গের বাসিন্দা, কর্মসূত্রে কলকাতা নিবাসী। ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। কলেজজীবন থেকে লেখালেখির শুরু। বিভিন্ন লিটল ম্যাগ ও ই-ম্যাগে লেখা প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে বিজ্ঞাপনজগতের সঙ্গে যুক্ত। প্রকাশিত গ্রন্থ, ‘শিশির শিকারের পর’।