• May 29, 2022

মুর্শিদাবাদ সোনাঝুরির হাট

 মুর্শিদাবাদ সোনাঝুরির হাট

সুশান্ত বিশ্বাস

দীর্ঘ করোনাকালীন অবস্থায় লকডাউনের মধ্যে পড়ে অর্থনৈতিক দিক থেকে শিল্পীরা ভীষণ খারাপ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে চলছিল, তাদের তৈরি শিল্প সামগ্রী বিক্রি প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এখন সেই কঠিন পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটছে ক্রমশ।আস্তে আস্তে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে জীবন , খুঁজে পাচ্ছে হস্ত শিল্পীরা বেঁচে থাকার রসদ।


সম্প্রতি ক্রিয়েটিভ বেঙ্গল ফাউন্ডেশন ও মুর্শিদাবাদ জেলা হস্তশিল্প গোষ্ঠীর উদ্যোগে বহরমপুরে গ্রান্ট হলের মাঠে ২০ শে ডিসেম্বর ২০২১ থেকে ২৬ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত হয়ে গেল মুর্শিদাবাদ সোনাঝুরি হাট বা হস্তশিল্প মেলা ।


মুর্শিদাবাদ ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে ৪১ টি স্টল এসেছিল এই মেলায়, ছোট পরিসরের মেলা হলেও বিরাট সাড়া ফেলেছে এই মেলা।
৪১ টি স্টল এর মধ্যে ৮ টি স্টল মুর্শিদাবাদের। শোলা শিল্প, কাঁথা স্টিচ ব্যাগ, নারকেল ছোবড়ার কাজ,কাঁথা স্টিচ শাড়ি, পুতির গহনা ইত্যাদি।
হুগলি জেলা থেকে এসেছিল বড়ি, পাপড়, মসলা, আমসত্ত্ব ইত্যাদি।বোলপুর শান্তিনিকেতন থেকে এসেছিল পোশাকের স্টল, এছাড়াও ছিল ডোকরা শিল্পের গহনা।
বর্ধমানের অগ্রদ্বীপ থেকে এসেছিল বাঁশের গহনা। পূর্ব মেদিনীপুর থেকে এসেছিল মহিষের শিংয়ের চিরুনি, হাতা, চাবির রিং, ফুল ইত্যাদি।মালদা থেকে এসেছিল বাঁশের কাজ ফুলদানির, ফুল ইত্যাদি।কলকাতা থেকে এসেছিল জুট ও ক্যানভাসের ব্যাগ। বীরভূমের নানুর থেকে এসেছিল ডোকরা জুয়েলারি। পূর্ব বর্ধমান অগ্রদ্বীপ থেকে এসেছিল বাঁশের বাদ্যযন্ত্র, বাঁশি ও একতারা। পূর্ব মেদিনীপুরের চন্ডিপুর থেকে এসেছিল পট চিত্রকর। দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে এসেছিল বাঁশের কাজ মুখা , ল্যাম্পশেড, টেবিল, চেয়ার ইত্যাদি।
মেলার উদ্যোক্তা শিল্পী সমীর সাহা বলেন, মেলা করে সমস্ত শিল্পী রায় খুশি। লোকসমাগম যেমন ভাল হয়েছিল বিক্রিও ভালো হয়েছে। সাতদিনে প্রায় ছয় লক্ষ টাকার বেচাকেনা হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Related post